মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ -দীর্ঘ পথের স্মৃতি কথা [পর্ব- ২ ]

মিরাজুল হক 

দু সপ্তাহের  একটা ক্লাশ রুম ট্রেনিং দিয়ে আমার পেশাদারী জীবনের চলা শুরু । মিস্টার রজত মৈত্র তখন  কন্-টেস্ট ( KonTest )-এর ট্রেনিং ম্যানেজার । তিনটে ডি ( D ) – ড্রাগ ডিজিস আর ডক্টর  নিয়ে পড়াশোনা  শুরু । ফার্মাকোলজি বিষয়টা নতুন । অনান্যগুলো আমার কাছে সহজ – ফিজিওলজি , অ্যানাটমি , বায়োকেমিস্ট্রি । 

বেশ গুরুত্ব সহযোগে আমাদের বোঝানো হল যে ডাক্তার ,  ফার্মা কোম্পানির দৃষ্টিতে  চিকিৎসক নন । কোম্পানির কাছে তাদের পরিচয় হল কাস্টমার । মার্কেটিং বিদ্যা শুরু তখন থেকে  । এই ট্রেনিং আমার কাছে ততটা কঠিন ছিল না । ট্রনিং শেষে পাফরমেন্সের নিরিখে  প্রথম স্থানে আমি । কোম্পানির ডিরেক্টর মিস্টার পৃথ্বীরাজ সেন  প্রশংসা করলেন । ট্রেনিং – এর দিনগুলো বেশ পড়াশোনার চাপ থাকতো । মাঝে রবিবারের ছুটিতে দাদা ( পিসততো )   ও ভাবীর সংগে দেখা করতে যায় । ওদের  পার্ক সার্কাসের ফ্ল্যাটে । দাদা ও ভাবী দুজনেই ডাক্তার । দাদা সাইক্রিয়াটিস্ট , ভাবী গাইনাকোলজিস্ট । দাদা তখন থেকেই আমার খুব কাছের , সুখ দুঃখের  পরামর্শদাতা । এখনও ।     

এই ট্রেনিং ব্যাচে আমারা ছিলাম সাত জন । একমাত্র আমি ছিলাম ধর্মে মুসলিম ।  কোম্পানিতে আমি দ্বিতীয় মুসলিম হিসাবে যোগদানের সুযোগ পাবো । প্রথম জন আমার থেকে বছর দুই সিনিয়র হবেন । আশরাফ হোসেন । ঘটনাটা সরল । তবুও  একটা অন্য মাত্রা তো আছে ।  তা  বেশ বুঝতে পেরেছিলাম ।  আমার ভাবনার  সীমায় ঐ ধরনের সুপ্ত ছোঁয়াচে সংক্রামণ ব্যাধি ছিলই  না । বাইরে  বামপন্থী ভাবনার দমকা হাওয়া বইতো । মৈত্রী ছিল । সর্বোপরি আমাদের শৈশবের দিনগুলো রুশ  রাজপুত্র ইভানের সংগে কেটেছে ।  রুশ উপকথার দেশে । নিবিড়  প্রভাব ছিল । 

ট্রেনিং এর  শেষদিনে ডাক্তার কল্যাণ বিশ্বাস মেডিক্যাল টেস্ট নিয়ে ,  আমাদের সম্মতি দিলেন ।  আমারা মেডিক্যালি উপযুক্ত ।  কোন শারীরিক সমস্যা নেই । তারপরে বুঝলাম এবার বোধয় চাকরীটা হবে । পার্ক স্ট্রিটের  ওয়ালডরফ রেস্টুরেন্টে   লাঞ্চে , জীবনের  প্রথম ‘সাহেবী-আনায় ‘ খানাপিনার সংগে  পরিচয় । খাবারের মেনুতে  ‘ পরক ‘ -এর একটা পদ থাকায় , অশেষদা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন আমার মতামত কি ।  

 কোম্পানির ব্রিটিশ  রীতিতে কক্ষনো অশেষদা কে মিস্টার দাস বলতে পারিনি । এই নিয়ম রীতি আমার ঠিক পছন্দ হতো না । সেদিনই জানতে পারলাম আমার পোস্টিং —  হেড- কোয়াটার  ( HQ ) কলকাতা । বাকীদের সব কলকাতার বাইরে । একজনের তো অনেকদুরে পোস্টিং হল –  আগরতলা , ত্রিপুরা । 

 পেশাদারী জীবনের শুভ আরম্ভ । ফিল্ড ট্রেনিং -এর প্রথম দিন । দেবেশদা ( সেন ) র সংগে   আমার ফিল্ড ট্রেনিং শুরু  ,  উনিশো নব্বইয়ের সাতই মে । সোমবার ।  কলকাতার যাদবপুর এলাকা । মে মাসের রোদের উত্তাপ ।  গুমোট  আবহাওয়া । ডাক্তারের চেম্বারে ফ্যানের তলায় দাঁড়িয়ে একটু স্বস্তি পাওয়া । ‘ ডাক্তারের-কল ‘  করার আগে দেবেশদা সব বুঝিয়ে দিতেন । যা হল ‘ প্রি – কল ‘ ব্রিফিং । এক থেকে দেড় মিনিট সময়ে ডাক্তারের সংগে কথা ।   মার্কেটিং ভাষায় , যা হল  ডিটেলিং —   কোম্পানির প্রোডাক্ট প্রমোশান । উনারাই তো  কোম্পানির কাস্টমার ।

প্রতিটি  ‘ ডাক্তারের-কল ‘ এর পর দেবেশদা বুঝিয়ে দিতেন কোথায় কি কি ভুল  । তা হল  ‘ পোস্ট-কল ‘ আনালিসিস । একই সংগে কেমিস্ট সার্ভে করা ।  এই ভাবে দশ বারোটা  ‘ ডাক্তারের-কল ‘  এবং পাঁচ – সাতটা কেমিস্ট সার্ভের  পরে ছুটি ।  প্রথম দিনে দুপুর তিনটে নাগাদ ছুটি পেলাম ।  সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ  ফিল্ড ওয়ার্কিং শুরু করেছিলাম ।   অন্য ধরনের একটা অভিজ্ঞতা নিয়ে ,  কলকাতার বাসা বাড়ীতে ফিরিলাম ।  প্রথমদিনে বেশ শারীরিক কষ্টে বিধস্ত  ।  এই ভাবে আর দু দিন ।  

আমার কাজের ক্ষেত্র  , যেটাকে বলা হয় টেরিটোরি ( Territory ) ,  প্রধানত সেন্ট্রাল কলকাতা জুড়ে । কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও  নীলরতন সরকারের মত প্রসিদ্ধ হসপিটাল , ইসলামিয়া হসপিটাল এবং  শিয়ালদহ  ধর্মতলা এলাকার বেশকিছু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ।  রাজাবাজার , নারকেলডাঙা মানিকতলা  জুড়ে আমার টেরিটোরি ( Territory ) । মিস্টার সজল চন্দ আমার  প্রথম  এরিয়া ম্যানেজার । বেঁটে খাটো , মোটা , বেশ উন্নত মধ্যপ্রদেশ । অফিসে বিস্তারিত আলাপ আলোচনার পর , আমার স্বতন্ত্র ফিল্ড ওয়ার্কিং শুরু হল ।

 টুর প্রোগ্রাম অনুযায়ী মেডিক্যাল কলেজে ।  প্রথম দিন । এরিয়া ম্যানেজারের জন্য , ইমারজেন্সির সামনে অপেক্ষা করছি ।  অন্য দুজন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ  , আমার সংগে আলাপ করলেন । একজন আমাদেরই কোম্পানির সজল দে । অন্যজন সুবীর দা ( ফাইমেক্স ) ।  ইউনিয়ানের পক্ষ থেকে আমাকে এই মেডিক্যাল কলেজে কাজ করতে দেওয়া হবে না । অফিসে ফিরে যেতে অনুরোধ করলেন । কোম্পানির একজন  সিনিয়র সহকর্মী  বিরেনদা  কে ( বিরেন চৌধুরী )  অন্যায় ভাবে কুচবিহার ট্রান্সফার করা হয়েছে । তারই প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ । জোরালো আন্দোলন হবে । ফিরে এলাম অফিসে ।  এরিয়া ম্যানেজার বেশ ভয় পেয়েছিলেন । অফিসে মিস্টার  আম্বেট নানান প্রশ্নে পাল্টা প্রশ্নে পুরো বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করেছিলেন ।  পরের দিন ঐ মেডিক্যাল কলেজেই  প্রোগ্রাম রাখা হল । এবং একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি । 

একটা মিশ্র অভিজ্ঞতায় অনেককিছু বিপ্রতীপ জটিল ভাবনা  ভিড় করলো ।  ভাবনার জটিলতা , কর্মজীবনের বিশালতা । এটা কি পুরনো বিষয় ? হয়তো চির পুরাতন , তবুও  আমার কাছে নতুন বিষয় । আগামী জীবনের গতি । দিন যাপনের  ক্ষেত্র , বাড়ীর অবস্থান , আর্থিক অবস্থা ও পরিস্থিতির আগা পাশ তলা । এই সব নিয়ে চিন্তার পাহাড়  । কি করে টপকাবো !  জীবনের চলার পথ সহজ হবে না ।  এটাই স্বাভাবিক । সামনে চলার রাস্তায় বাঁধা বিপত্তি না থাকলে , বুঝতে হবে রাস্তা সঠিক নয় । ভুল রাস্তা ।  কয়েকদিন বাদে আবার  আমার স্বতন্ত্র ফিল্ড ওয়ার্কিং শুরু হল । মাসের শুরুতে সারা মাসের কাজের প্ল্যান ।  টুর প্রোগ্রাম । সেই অনুযায়ী ফিল্ড ওয়ার্কিং । সারাদিনে দশ বারো জন  ‘ ডাক্তার কল করা ‘ , পাঁচ সাতটা কেমিস্ট সার্ভে । সপ্তাহে একদিন টিম মিটিং । এই ছিল আমার কর্মজীবনের রোজ নামতা । সেলস টার্গেট নিয়ে তখন অতটা টেনশান ছিল না , যতটা সিনিয়র সহকর্মীরা চিন্তিত উদ্বিগ্ন থাকতেন । একটাই মাত্র স্টকিস্ট , দুর্বল ডিস্ট্রিবিউটর আমার দায়িত্বে ছিল । একটা সেলস টার্গেট অবশ্যই থাকতো ,  সেটা যৌথ টিমের মাথাব্যাথা । তবে ফিল্ড ওয়ার্ক নিয়ে আমি খুবই মনযোগী । 

বিশেষ করে বিশেষজ্ঞ  খ্যাতনামা  অনেক  চিকিৎসক আমার  ডক্টর ( কাস্টমার ) লিস্টে আছে । সেইসব  ‘ ডাক্তারের-কল ‘ গুলো , আমার মধ্যে একটা বাড়তি উদ্দীপনা , উত্তেজনা সৃষ্টি করত । অনেকবারই ভালো মেডিক্যাল  জার্নালের রেফারেন্স দিয়ে কথা বলেছি । তাঁদের বাড়তি উৎসাহ লক্ষ্য করেছি । আর দু একজন  মার্জিত ,  দারুন সুন্দরী  চিকিৎসকের প্রতি স্বাভাবিক ভাবে বেশী আকর্ষণ । আর মেডিক্যাল কলেজে  আমারি সম বয়েসি  সুন্দরী  হাউস স্টাফ বা ইন্টার্নই -দের বেশ ভালো লাগতো । ঐ পর্যন্তই । ওদের সংগে  সম্পর্কের গভীরতা সে রকম হয় নি । তখনো পেশাদারী জীবনের  লক্ষ্য নিয়ে  বেশ দোটানায় , দ্বিধাগ্রস্থ । সুবোধ ছেলের মতো ঐসব সুন্দরী  হাউস স্টাফ বা ইন্টার্নই -দের সংগে সম্পর্কটা প্রেম ভালোবাসায়  গভীরতার কোন আবেগ মনেমনে কাজ করেনি । প্রেরনাও  পাইনি । 

কর্মসূত্রে আমার কলকাতায় থাকা । কলেজের দিনগুলোতে কলকাতার বাসা বাড়ীতে কম থাকতাম । গ্রামের বাড়ী থেকেই  যাওয়া আসা  করেছি । বাগনান স্টেশানে ডেলি পাসেঞ্জারের  ভিড়ের  ঠেলাঠেলি ।  ট্রেনে  হাওড়া । পরে ফোরটি ফোর বাসে করে পুরবী সিনেমা স্টপেজ ।  সুরেন্দ্রনাথ কলেজ । আমার মতো হাজারো ছেলেমেয়েদের এই রকমই ছিল কলেজে পড়াশোনা করার দৈনন্দিন । প্রতি দিন । তা বেশ উপভোগ করতাম । তাদের জিজ্ঞাসা কর — আমার গ্রাম ,  গ্রামের পুকুরের ঠেউকে   জিজ্ঞাসা কর । বাগানে গাছের পাখিরা যে গান গায় , গ্রামের  বার মাঠের মধ্যকার মানচিত্র থেকে যে দখিনা বাতাস বয়ে যায় । তাদের জিজ্ঞাসা কর । রূপনারায়ান নদীর কূলে যে ঠেউ আছড়ে পড়ে ,  তাদের ।   তাদের  উত্তর  এই গ্রাম্য জীবনে প্রানের উচ্ছাস আছে । সৃষ্টিশীল মনের খোরাক আছে । আর আছে আকাশ ভরা আলো । আকাশের নীল । দক্ষিন মাঠের সবুজের মাঝ খানাকার  প্রসারিত দিগন্ত । অবকাশ । গাছপালার স্নেহ , আদর ।  তা তেষ্টার  জলের  মতো দরকারি । 

 তাই বলে কি দুঃখ , যন্ত্রণা নেই ? বেঁচে থাকার কঠিন লড়াই আছে । গ্রামের বেশীর ভাগ মানুষজন  জীবিকায় রাজ মিস্ত্রি ,  রঙ মিস্ত্রি , কারখানার শ্রমিক ।   আধুনিক ভারত গড়ার শ্রমজীবী দেশবাসী ।  তাই পাড়ার গলিতে , রাস্তার মোড়ের চা দোকানে জীবন যাপনের কষ্টের বেদনায় বিহ্বলতার শূন্যতা । কঠিন অনিশ্চয়তা । বয়স্ক মহিলারা  বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভিক্ষা করতো ।   মাঠে  মাঠে গোবর কুড়িয়ে আনা মাঝ বয়সী মেয়েদের মলিন শাড়ীতে  বুক ঢাকতে পিঠ আলগা । এ রকম   অনেক মানুষের একটা তীব্র লড়াই ছিল ।

 তবুও গ্রামের সরল দিনলিপিতে  নির্মল ভালোবাসার পরিমণ্ডল । বিদ্বেষ ঘৃণা  ততটা ছিল না , যতটা এখন হিংসায়  টক্কর দেওয়ার প্রতিযোগিতা । বাম কংগ্রেস রাজনীতির তর্ক বিতর্ক । কলকাতার ফুটবল ও  ক্রিকেটের উন্মাদনায় মেতে থাকতো লোকজন ।  ‘ তুমি কত সুন্দর ‘ , ‘ পাখিটার বুকে তীর মেরো না ‘ – এ রকম গানের লাইনের  গুনগুন আওয়াজে ভালো লাগা তৃপ্তির আবহাওয়া । গ্রাম্য সজীবতা । এক অরণ্য ভালোলাগার বৈচিত্র্য । তাই কলকাতার বাসা বাড়ীতে থাকতাম না ।   

আমার মহানাগরিক জীবনের দিনলিপিতে বাড়তি সে রকম ভালো লাগা আকর্ষণ ছিল না । সোম থেকে শনি , টুর প্ল্যান অনুযায়ী কাজের রুটিন । বেশ কিছুটা রীতিমাফিক । কলকাতার ইট পাথরের জঙ্গল । হাজারো হাজারো মানুষের ছোটাছুটি । দম বন্ধ করা অক্সিজেনের স্বল্পতা । বর্ষার জলে ডুবে যাওয়া স্ট্রীট , বড় রাস্তা । নোংরা  অলি গলি । গলির ভিতর গলি । ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসের অবাধ বিচরণ , স্বাধীনতা ।

 আমি কেমন হ্যাঁপিয়ে উঠতাম । এই শহর কলকাতার দিনরাতের নিত্যনৈমিত্তিকতায়  । মাঝে মাঝে বাপিদের কারমাইকাল হোস্টেলে আড্ডা দিতে যেতাম । আর ছিল মন চনমন করার , ভালো লাগার , ভাবনা সতেজ করার একমাত্র ঠিকানা –  একাডেমী  রবীন্দ্র সদনে নাটক দেখা  ।  নন্দনে সিনেমা দেখার   আকর্ষণ । তীব্র প্রলোভন ।

  শনিবার বাড়ী ফিরে আসতাম । রোজির সংগে দেখা করার টান কাজ করতো  তীব্র ভাবে । আমার পরিবারের লোকজনেরা আমার এই চাকরী নিয়ে একদম  অখুশি । পরিচিত লোকজনদের মধ্যে  মেডিক্যাল  রিপ্রেজেন্টেটিভের  চাকরী করার প্রবণতা ছিল না । যদিও আমার বড় খালার ছেলে ,  মাসাতোত দাদা তখন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ  । আমার স্কুলের বন্ধু হীরা , আশু  ডাক্তারি পড়ছে । ধূর্জটি , দীনবন্ধু এঞ্জিনিয়ারিং-এ । তড়িৎ , কিংশুক , আবুল ও আর অনেকে পলিটেকনিক নিয়ে পড়াশোনা করছে । কলেজের পরিচিত বন্ধুরা রাজা বাজার সায়েন্স কলেজে এম-এস-সি করছে । বাপি কেমেস্ট্রি অনার্সের পর বি -টেক পড়ছে   রাজা বাজার সায়েন্স কলেজে । আমি তখন এই কর্পোরেট দুনিয়াতে । ভজকট  । কঠিন পরিস্থিতি ।

 অনার্সের পর বাড়ীতে  সেই  অর্থে চুপচাপ বসে থাকার  সময়সীমা দু বছর । জীবনের এই দু বছরের স্থায়িত্বকাল জুড়ে  অনেককিছু ভাবনার গবেষণা ।  মনের  বিবর্তন , রূপান্তর চলেছে । তবে তা ছিল বেশ জটিল বেয়াড়া ।  কটমটে দুঃসাধ্য সময় ।  জীবনের বয়স যখন সবে তেইশ ।  তখনই  আমি পয়সা রোজগারের চলার রাস্তায় হাঁটতে শুরু করেছি ।  জীবনের গতি  সরল তো নয় ।  বাঁকা বাঁকা পথে চলে । দিন যাপনের  ছন্দ তাল লয় গতি বিভিন্ন দিকে ছুটে চলে । হরেকরকমের । 

পর্ব-০১ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

এই লেখাটি শেয়ার করুন

One thought on “মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ -দীর্ঘ পথের স্মৃতি কথা [পর্ব- ২ ]

  • January 16, 2021 at 10:01 AM
    Permalink

    ভালো লিখেছো।
    পরের টা পাব কোথায়?

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *