পর্নোগ্রাফি কিংবা হস্তমৈথুন থেকে মুক্তি চাইছেন?

পর্নোগ্রাফি কিংবা হস্তমৈথুন থেকে মুক্তি চাইছেন?

দ্যা ডেপথ অব পর্নোগ্রাফি

দ্যা ডেপথ অফ পর্ণগ্রাফি, বাংলায় বললে এ এক মৃত্যু কূপের নাম। বর্তমান সময়ে আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে বাস্তবিক জীবনে সবকিছুই কঠিন হলেও অনলাইন দুনিয়ায় যেনো সব কিছুই হাতের নাগালে চলে এসেছে। বিশেষ করে ইন্টারনেটের ভালো দিকের পাশাপাশি বর্তমান সময়ে আমরা এমন একটি কালক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে বেশ গভীরভাবেই চিন্তা করতে হচ্ছে ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিয়ে।

যদি বলা হয় ঠিক কত বছর আগে পৃথিবীতে পর্নোগ্রাফির চর্চা শুরু হয়েছে? তাহলে ২০০৮ সালে জার্মানিতে আবিস্কার হওয়া নিদর্শন অনুযায়ী পয়ত্রিশ হাজার বছরের আগের কথা কথা বলতে হয়। খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দীতে লেখা ভারতীয় সংস্কৃত পাঠ কামসূত্রে যৌন আচরণ সম্পর্কিত গদ্য, কবিতা এবং চিত্রাবলী রয়েছে। যদিও ১৭৪৮ সালে প্রকাশিত ব্রিটিশ ইংরেজি পাঠ্য ফ্যানি হিল (-কে “প্রথম আদি ইংরেজি সাহি্ত্যের পর্নোগ্রাফি” হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯ শতকের শেষের দিকে, টমাস এডিসনের চুম্বনদৃশ্য সম্বলিত একটি চলচ্চিত্রকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অশ্লীল বলে নিন্দা করা হয়েছিল । অপরদিকে ১৮৯৬ সালে ইউজিন পিরোর চলচ্চিত্র বেডটাইম ফর দ্য ব্রাইড ফ্রান্সে খুব ভালভাবে গৃহীত হয়েছিল।

পর্নোগ্রাফি কি? এ সম্পর্কে নিঃসন্দেহে ব্যাখ্যা প্রদানের কোন দরকারই নেই। এক বিংশ শতাব্দির এই সময়ে এটি পরিস্কার। এই শব্দটি সবার মগজে বিসৃত পরিসরে ঘুরছে। উনসত্তোর কিংবা আশির দশককে বলা হয় পর্ণগ্রাফির স্মর্ণযুগ। এরপর থেকে এর পরিধি এতটাই বিস্তৃত হয়েছে যে বর্তমানে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই ফোনে ফোনে চলছে এই নিষিদ্ধ ঘড়ির কাটা। বর্তমান সময়ে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পর্ন সিনেমা তৈরি হয় কানাডায়। গত পাঁচ বছরে সবচেয়ে বেশি পর্ন সিনেমা তৈরি হচ্ছে পশ্চিম এশিয়া ও নাইজেরিয়ায়। পৃথিবীর অন্তত পাঁচটি দেশে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি পর্নগ্রাফি দেখে। বিশ্বের শীর্ষ দশ পর্ন আসক্ত শহরের ৭টিই ভারতের। পর্ন দেখা দেশগুলোর ভেতরে শীর্ষতালিকায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ভারত।

২০১৫ সালে শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই পর্ন সাইটের সংখ্যা ৫০ লক্ষ, গোটা দুনিয়ায় সংখ্যা ২০ কোটির ওপর। প্রতি সেকেন্ড দুনিয়ায় প্রায় ৩ কোটি মানুষ পর্ন দেখেন বলে এক সমীক্ষায় প্রকাশ। প্রতি বছর পর্ন সিনেমায় অবদানের জন্য মোটা অর্থের পুরস্কার মূল্যের ট্রফি দেওয়া হয়। বিশ্বে পর্ন সাইটের সংখ্যা ২০ কোটি, সবচেয়ে বেশি নির্মিত হয় কানাডায়।

বিশ্বাস করতে কঠিন হলেও এটা সত্যি যে বেশিরভাগ পুরুষই পর্নগ্রাফি দেখার সময় পর্নস্টার অভিনেত্রীদের যে কোনও অঙ্গের থেকে চোখের দিকে বেশি তাকান। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পর্ন সিনেমা তৈরি হয় কানাডায়। গত পাঁচ বছরে সবচেয়ে বেশি পর্ন সিনেমা তৈরি হচ্ছে পশ্চিম এশিয়া ও নাইজেরিয়ায়। পৃথিবীর অন্তত পাঁচটি দেশে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি পর্নগ্রাফি দেখে।

পর্ন না দেখা পুরুষ-পর্নগ্রাফি সম্পর্কে প্রভাব ফেলে কি না এই বিষয়ে গবেষণা করতে গিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়। কেন না গবেষকরা এমন বেশি কিছু সংখ্যাক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের খোঁজ পাননি যারা কোনও দিন পর্ন সিনেমা দেখেননি। পর্ন সিনেমা না দেখা যথেষ্ট পুরুষের খোঁজে না পাওয়া প্রথম এই বিষয়ে গবেষণা বন্ধ হয়ে যায়। ১৩ বছর আগে গোটা দুনিয়ায় মোট ৭০ হাজারের মত পর্ন সাইট ছিল।

আর এখন ২০১৫ সালে শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই পর্ন সাইটের সংখ্যা ৫০ লক্ষ, গোটা দুনিয়ায় সংখ্যা ২০ কোটির ওপর। পাঁচমেশালি পর্ন- পৃথিবীর যে কোনও প্রান্ত থেকে এই মুহূ্র্তে প্রায় ৩ কোটি মানুষ এখন পর্ন দেখছেন। প্রতি সেকেন্ড দুনিয়ায় প্রায় ৩ কোটি মানুষ পর্ন দেখেন বলে এক সমীক্ষায় প্রকাশ। প্রতি বছর পর্ন সিনেমায় অবদানের জন্য মোটা অর্থের পুরস্কার মূল্যের ট্রফি দেওয়া হয়। পর্নের অস্কার হিসেবে পরিচিত এই অ্যাওয়ার্ডকে বলা হয় এভিএন অ্যাওয়ার্ড। বেশ কিছু পর্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বার্ষিক রোজগার হলিউড স্টারদের বেশি।

পর্নগ্রাফিতে রোজগারের আশায় প্রতিনিয়তই পশ্চিমা দেশগুলোর তরুণ-তরুণীরা ছুটছেন পর্ণস্টার হওয়ার দৌড়ে। তবে অনেকেই এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে বেরিয়েও এসেছেন। “মিয়া খালিফা” নামটি এখন পর্যন্ত শোনেননি তিনি বোধয় এ প্রজন্মের সবচেয়ে উন্নত ব্যাক্তি। সেই বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় পাওয়া পর্ণতারকা মিয়া খলিফাই বলেছিলেন, “পর্ণ-দুনিয়া তার জীবন শেষ করে দিয়েছে। তিনি যে আকর্ষণীয় মোটা অংকের টাকার জন্য এ ইন্ড্রাস্ট্রিতে পা দিয়েছিলেন, সেটি নিমিষেই উবে গিয়েছিলো। তিনি ফিরে এসেছেন স্বাভাবিক জীবনে।” বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া আরও এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানি লিওনিও তার পর্ণজীবনের কথা খুব বাজেভাবে উল্লেখ করেছেন। সানি লিওনির ভাষ্য অনুযায়ী, “পর্ন সিনেমায় অভিনয় করা তার জীবনে অনেক বাজে একটি সিদ্ধান্ত। এর ফলে তাকে স্বাভাবিক জীবন যাপনে বেশ স্ট্র্যাগল করতে হয়েছে। সানি লিওনি বর্তমানে এই আতঙ্ককে আছেন যে তার দত্তক নেওয়া শিশুরা যদি বড় হয়ে তারই সেসব ভিডিও দেখেন তাহলে কি হবে?” পরিস্কার ভাষায় বলতে গেলে দ্যা ট্র্যাপ অফ পর্ণগ্রাফি ইজ দ্যা ডেপথ অব পর্ণগ্রাফি ইকুয়াল টু ডেথ। কি বুঝলেন না তো?

জীবনে আরো একটু বাড়তি আনন্দের আশায় পর্ণগ্রাফিতে যোগ দেওয়া ২৬ বছরের সোফিয়া লিওন সম্প্রতি কয়েকদিন আগে আত্মহত্যা করেছেন। মৃত্যুর আগে সোফিয়া এক ইন্সটাগ্রাম পোস্টে লিখেছিলেন, ‘বাইরে যান এবং আজকে জীবন একটু বাড়তি উপভোগ করুন’। পর্ণগ্রাফি! নামের শব্দটি মাথায় আসলেই আমরা ভীষণ খুশি হই। শরীরে ডোপামিন হরমোনের প্রভাবে কত পাপ করে ফেলি। সেখানে এ তো মিথ্যে আলোর ভীড়ে এক অদ্ভুত গভীর অন্ধকার। পর্ণগ্রাফি; দ্যা ডেপথ অব ডেথ।

 

হস্তমৈথুন: এটা কি স্বাভাবিক নাকি অস্বাভাবাবিক?

হস্তমৈথুন এমন একটি বিষয় যা প্রায়শই কৌতূহল এবং স্বস্তি থেকে অপরাধবোধ এবং লজ্জা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরণের আবেগ উদ্রেক করে। একটি সাধারণ এবং স্বাভাবিক আচরণ হওয়া সত্ত্বেও, এটি পৌরাণিক কাহিনী, কলঙ্ক এবং ট্যাবু দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। হস্তমৈথুন সম্পর্কে তথ্য বোঝা, এর উপকারিতা এবং ভ্রান্ত ধারণাগুলি দূর করা যৌন স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা সম্পর্কে একটি স্বাস্থ্যকর এবং আরও খোলামেলা কথোপকথনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হস্তমৈথুন কি?

হস্তমৈথুন হল যৌনাঙ্গের স্ব-উদ্দীপনা, যা সাধারণত যৌন উত্তেজনার ফলে এবং প্রায়শই প্রচণ্ড উত্তেজনায় পরিণত হয়। এটি একটি আচরণ যা বিভিন্ন বয়স, লিঙ্গ এবং সংস্কৃতি জুড়ে পরিলক্ষিত হয়। মানুষ আনন্দ, মানসিক চাপ উপশম এবং তাদের নিজের শরীরের অন্বেষণ সহ বিভিন্ন কারণে হস্তমৈথুন করে।
হস্তমৈথুনের উপকারিতা

হস্তমৈথুন বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সুবিধা প্রদান করে:

 

যৌন স্বাস্থ্য: হস্তমৈথুন ব্যক্তিদের তাদের নিজস্ব যৌন পছন্দ এবং প্রতিক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করে, যা অংশীদারদের সাথে যৌন অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারে।
স্ট্রেস রিলিফ: প্রচণ্ড উত্তেজনার সময় এন্ডোরফিন নিঃসরণ মানসিক চাপ কমাতে পারে এবং শিথিলতা বাড়াতে পারে।
উন্নত ঘুম: প্রচণ্ড উত্তেজনা পরবর্তী হরমোনের পরিবর্তনগুলি ঘুমিয়ে পড়া এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
ব্যথা উপশম: কারো কারো জন্য, হস্তমৈথুন মাসিকের ক্র্যাম্প উপশম করতে পারে এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কমাতে পারে।
উন্নত মেজাজ: যৌন কার্যকলাপের সময় ডোপামিন এবং অক্সিটোসিনের মুক্তি মেজাজ এবং সামগ্রিক সুস্থতার অনুভূতি বাড়াতে পারে।

মিথ এবং ভ্রান্ত ধারণাগুলিকে ডিবাঙ্কিং

এর ব্যাপকতা থাকা সত্ত্বেও, অনেক পৌরাণিক কাহিনী হস্তমৈথুনকে ঘিরে:

শারীরিক ক্ষতি: এমন কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই যে হস্তমৈথুন শারীরিক ক্ষতি করে, যেমন অন্ধত্ব, বন্ধ্যাত্ব বা ইরেক্টাইল ডিসফাংশন।
নৈতিক বিচার: সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক মনোভাব প্রায়ই হস্তমৈথুনকে অনৈতিক বা লজ্জাজনক বলে চিহ্নিত করে। এই রায়গুলি বিষয়ভিত্তিক এবং ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। হস্তমৈথুন যে মানুষের যৌনতার একটি স্বাভাবিক অংশ তা বোঝা অপ্রয়োজনীয় অপরাধবোধ দূর করতে সাহায্য করতে পারে।
আসক্তি: যদিও বাধ্যতামূলক যৌন আচরণ একটি উদ্বেগের বিষয় হতে পারে, বেশিরভাগ মানুষ হস্তমৈথুন করে না এটি তাদের জীবনকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। এটি তখনই সমস্যাযুক্ত হয়ে ওঠে যখন এটি দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং দায়িত্বে হস্তক্ষেপ করে।

হস্তমৈথুন এবং সম্পর্ক

হস্তমৈথুন একটি সুস্থ যৌন সম্পর্কের সাথে সহাবস্থান করতে পারে। এটা সঙ্গীর সাথে অসন্তুষ্টির লক্ষণ নয়। পরিবর্তে, এটি ব্যক্তিদের যৌন স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে অংশীদারী যৌনতার পরিপূরক হতে পারে, বিশেষ করে এমন পরিস্থিতিতে যেখানে অংশীদাররা আলাদা থাকে বা তাদের যৌন মিলন নেই।

হস্তমৈথুন সম্পর্কে কথা বলা

হস্তমৈথুন সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা কলঙ্ক কমাতে পারে এবং যৌন স্বাস্থ্য শিক্ষার প্রচার করতে পারে। এই কথোপকথন করার জন্য এখানে কিছু টিপস আছে:

সঠিক পরিভাষা ব্যবহার করুন: সঠিক এবং সম্মানজনক ভাষা ব্যবহার বিষয়টিকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে।
তাড়াতাড়ি শিক্ষিত করুন: হস্তমৈথুন সম্পর্কে বয়স-উপযুক্ত কথোপকথন শিশুদের তাদের শরীর বুঝতে এবং যৌনতার প্রতি একটি সুস্থ মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।
একটি নিরাপদ স্থান তৈরি করুন: এমন একটি পরিবেশকে উত্সাহিত করুন যেখানে যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রশ্ন এবং আলোচনা স্বাগত জানানো হয় এবং রায় থেকে মুক্ত।

 

হস্তমৈথুন জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে একটি স্বাভাবিক আচরণ:

বয়ঃসন্ধিকাল: কিশোর-কিশোরীরা প্রায়ই তাদের শরীর এবং যৌনতা অন্বেষণ করে। হস্তমৈথুনকে স্বাভাবিক হিসাবে বোঝা এবং গ্রহণ করা বিভ্রান্তি এবং উদ্বেগ কমাতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্কতা: অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হস্তমৈথুন চালিয়ে যান, তা অবিবাহিত হোক বা সম্পর্কের ক্ষেত্রে। যৌন সুস্থতা বজায় রাখার জন্য এটি একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।
বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্ক: যৌন ইচ্ছা এবং কার্যকলাপ, হস্তমৈথুন সহ, বয়সের সাথে অগত্যা হ্রাস পায় না। বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্করা ক্রমাগত যৌন অভিব্যক্তি এবং ঘনিষ্ঠতা থেকে উপকৃত হয়।

উপসংহার

হস্তমৈথুন মানুষের যৌনতার একটি স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর দিক। পৌরাণিক কাহিনী দূর করে এবং খোলামেলা কথোপকথন প্রচার করে, আমরা আরও সচেতন এবং গ্রহণযোগ্য দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে পারি। সুবিধাগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বোঝা যে এটি একটি ব্যক্তিগত এবং প্রাকৃতিক আচরণ সব বয়সের ব্যক্তির জন্য উন্নত যৌন স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার দিকে পরিচালিত করতে পারে।

“বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ যদি অনুমতি ছাড়া লেখা কপি করে ফেসবুক কিংবা অন্য কোন প্লাটফর্মে প্রকাশ করেন, এবং সেই লেখা নিজের বলে চালিয়ে দেন তাহলে সেই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবে
ছাইলিপি ম্যাগাজিন।”

সম্পর্কিত বিভাগ

পোস্টটি শেয়ার করুন

Facebook
WhatsApp
Telegram
নবীর প্রেমে জাহান পাগল 

নবীর প্রেমে জাহান পাগল 

সেকেন্দার আলি সেখ মিনার থেকে, মধুর আজান ভোরের আলোয় ছড়িয়ে পড়ে ছড়িয়ে পড়ে আঁধার ঘেঁষে শহর -নগর দূরের গড়ে l আজান শুনে ডাকলো পাখি রাতের ...
ললাট লালসা

ললাট লালসা

আশিক মাহমুদ রিয়াদ দুটি বিভৎস খুনের রহস্য উদঘটন উন্মোচনের শিরোনাম চলছে টিভিতে। শহরবাসী উন্মুখ হয়ে বসে আছে দু’টি হত্যাকান্ড উন্মোচনের ঘটনায়। হত্যাকান্ডের নৃশংসতা এতটাই বেশি ...
ঈদ মোবারক

ঈদ মোবারক

আশিক মাহমুদ রিয়াদ বাতাসে বইছে দেখো আজ পবিত্রতার স্নিগ্ধতা আকাশে ফকফকে সূর্য, পাতা ঝিলমিল করা পত্রপল্লবি আজ এসেছে খুশির দিন, চারদিকে আনন্দের হিড়িক বিভেদ ভুলে ...
কারাগার ওয়েবসিরিজ রিভিউ

কারাগার ওয়েবসিরিজ রিভিউ

ওয়েব সিরিজ : কারাগার মোট পর্ব: ৭টি (প্রতিটি পর্ব ২১ থেকে সর্বোচ্চ ৩৩ মিনিট) পরিচালক: সৈয়দ আহমেদ শাওকি অভিনয়শিল্পী: চঞ্চল চৌধুরী, ইন্তেখাব দিনার, আফজাল হোসেন, ...
ঘন ঘন স্বপ্নদোষ? নিয়ন্ত্রণে যা করবেন

ঘন ঘন স্বপ্নদোষ? নিয়ন্ত্রণে যা করবেন

স্বপ্নদোষ কী? নাইটফল বা স্বপ্নদোষ, পুরুষদের মধ্যে একটি অতীব সাধারণ সমস্যা। মোটামুটি সব বয়সের পুরুষেরাই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন কিন্তু সাধারণত ১৮ থেকে ৩০ ...