ভ্রমণকাহিনী- সুন্দরবনের জলে জঙ্গলে- ডঃ গৌতম সরকার

ডঃ গৌতম সরকার

 

” বহু দিন ধরে বহু ক্রোশ দূরে 

বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে 

দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা 

দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু ; 

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া 

ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া 

একটি ধানের শীষের ওপর একটি শিশির বিন্দু ” ৷

 

পর্যটন প্রেমিকদের কাছে সুন্দরবন অনেকটা উপেক্ষিত ট্যুরিস্ট স্পট, আমিও প্রথম এই জায়গায় গেছি ২০১০ সালে অর্থাৎ আমার জীবনে ভ্রমণ শুরুর প্রায় তিরিশ বছর পর ৷ অথচ ঘরের কাছেই আরশিনগর, এশিয়ার বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য, ডাঙায় বাঘ জলে কুমির- এমন কমপ্লিট থ্রিলার আর কোথায় পাবেন !!! বর্তমান কালের চোখ আর মন ঝলসানো সব স্পটের দৌলতে আজও সুন্দরবন দুয়োরানী হয়েই রয়ে গেল ৷

 

 সুন্দরবন ভ্রমণ সবসময় গ্রুপে হয় ; ব্যক্তিগত ভ্রমণের সাধ্য আর সাধনা কোনোটাই প্রযোজ্য নয় আর এখানেই আসল মজা ৷ পছন্দের বন্ধু আর পরিজনদের নিয়ে দারুণ কয়েকটা দিন কাটানোর মজার ঠিকানা – সুন্দরবন ৷ নামখানা, কৈখালি, গদখালি যেখান থেকেই উঠুননা কেন স্টিমারে ওঠার পরপরেই আপনার ভ্রমণ শুরু হয়ে যাবে ডাবের জল আর গরম গরম লুচি আর আলুর দম দিয়ে ৷ তারপর সৈকতকে টাটা করে জলের অবগাহনে নিজেদের ঐকান্তিক সমর্পণ ……ঘন্টা দেড় দুয়েকের ভ্রমণে পৌঁছে যাবেন পাখিরালা, ভগবতপুর, বনি ক্যাম্প বা সজনেখালিতে ৷ দুপুরের খাবার কোনো দ্বীপে বা স্টিমারে সেরে একটু বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে চলে যাবেন কোনো এক নদী কিনারায় যেখানে আপনি প্রত্যক্ষ করবেন শেষ বিকেলে পাখিদের ঘরে ফেরার দৃশ্য ৷ অস্ত সূর্যের শেষ লাল রং ডানায় মেখে পাখিদের ঘরে ফেরা আপনার মনের ক্যানভাসে রঙিন তুলির টানে ভাস্বর হয়ে থাকবে ৷

 

পরেরদিন যাননা আপনি যেথা খুশি !!! সুধন্যখালি, কলস দ্বীপ, নেতি ধোপানি, বা ছোটো ছোটো খাঁড়ি পথে ঘুরে বেড়ান ইচ্ছেমতো ৷ আর চলার পথে জেলেদের নৌকো থেকে টাটকা মাছ কিনে সঙ্গে সঙ্গে গরম গরম ভাজা খাওয়ার স্বাদ অনেকদিন মনে থাকবে ৷ আর সারা ভ্রমণপথে স্টিমারের ছাদে বসে যখন তখন হুকুমমতো চা পানের আনন্দ কিন্তু কোনো অংশে কম নয় ৷ 

বেড়ানোর স্পটের কথা থাক, এই ট্যুরটার সবচেয়ে বড় পাওনা কি জানেন ! আপনার প্রিয় মানুষগুলো সবসময় আপনার চৌহদ্দির মধ্যে থাকবে, ইচ্ছে করলেও ছিটকে-ছাটকে যেতে পারবেনা ৷ সবাইয়ের চলনশীলতা ওই স্টিমার আর দ্বীপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে ৷ আর এই প্রতিবন্ধকতা আপনার পক্ষে শাপে বর হবে – তুমুল আড্ডা আর পরনিন্দা পরচর্চার মোক্ষম মঞ্চ প্রস্তুত ৷ কথা দিচ্ছি আপনি একদম রিফিলড হয়ে ফিরবেন ৷ আমি ২০১০ এ শুরু করে পরপর পাঁচ বছর গেছি, শুধু গতবছর যাইনি, আবার এবছর এলাম ৷ এত কাছে প্রতিবেশী জেলায় এরকম মনকাড়া বেড়ানোর জায়গা ; চলুন আমরা পরিবার পরিজন মিলে একবার অন্ততঃ ঘুরে আসি ৷ আমি নিশ্চিত নিরাশ হবেন না ৷

সকাল ঠিক সাড়ে সাতটায় সায়েন্স সিটির ঠিক উল্টো দিক থেকে একটা ট্রাভেলার্স আরএকটা স্করপিও চেপে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। বানতলা, ঘটকপুকুর, মালঞ্চ, সোনাখালি/বাসন্তী প্রায় তিন ঘণ্টার রাস্তা পেরিয়ে গদখালি পৌঁছলাম পৌনে এগারোটা নাগাদ। গাড়ি প্রায় ঘাটের কাছে আমাদের নামালো। লাগেজ নিয়ে স্টিমারে উঠতে কোনো পরিশ্রমই হলোনা। আসার পথে ঘটকপুকুরের কাছে একপ্রস্থ চা আর স্যান্ডউইচ খাওয়া হয়েছে। স্টিমারে উঠতেই আমাদের নদীযাত্রা শুরু হয়ে গেলো। আমাদের এবারের ট্যুরের কান্ডারি নীলাদ্রি সরকার। ওর ঐকান্তিক তত্ত্বাবধানে ট্যুর প্রথম থেকেই জমে গেল। স্টিমার ছাড়তেই হাতে হাতে চলে এলো গরম গরম লুচি, আলুর তরকারি, আর রসগোল্লা। খাওয়া শেষ করে ঘন্টা খানেকের নদী ভ্রমণে পৌঁছে গেলাম সন্দেশখালি। এখানকার ওয়াচ টাওয়ার, ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টার ঘুরে আবার স্টিমারে উঠে পড়লাম। এবার আমরা সোজা যাবো রিসর্টে, সুন্দরবন রেসিডেন্সি, প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিটের জার্নি। যাত্রাপথে লাঞ্চ সেরে নিলাম, উপাদেয় ব্যবস্থা- সরু চালের ভাত, স্যালাড, সব্জি ডাল, পনির, ফুলকপির রোস্ট, পাবদা মাছ, চাটনি, পাঁপড়। খাওয়া-দাওয়া মিটতেই গন্তব্য চলে এলো। হোটেলে চেক-ইন করেই বেরিয়ে পড়লাম ট্রিপলিঘেরি হাটের উদ্দেশ্যে। এটা একটা অন্য আইল্যান্ডে। শীতের সবুজ -সতেজ সবজি আর গ্রামীণ মানুষদের স্বতঃস্ফূর্ত আন্তরিকতায় আমাদের বাজার সারা হলো- সবজি, মাছ , ফল সবই টাটকা, সবুজ, সতেজ। বেশ কিছুক্ষণ সুন্দর সময় কাটিয়ে শেষে এককাপ করে চিনি-ছাড়া দুধ চা খেয়ে আজকের মত ফেরার বোটে আমাদের সফর শেষ করলাম। বেশিক্ষনের যাত্রা অবশ্য নয়, মিনিট কুড়ির হবে। কিন্তু ফিরে ঘাট ছুঁতে গিয়ে হলো এক সমস্যা। ভাটার টানে জল অনেকটা নিচে নেমে গেছে। নৌকা ঘাটের নাগাল পাচ্ছেনা। ঘাটের নাগালের সন্ধানে( জল ওঠার অপেক্ষায়) অন্ধকারের মধ্যে বসে রইলাম ৷ কিন্তু অপেক্ষার অবসান দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে লাগলো ৷ এখনো হয়তো আধঘন্টা, পঁয়তাল্লিশ মিনিট কি এক ঘন্টাই অপেক্ষা করতে হবে ! তা হোক-মন্দ লাগছেনা, ঘন অন্ধকারের মধ্যে বোটের সব আলো নিভিয়ে ভুতের মতো বসে সকলে মিলে আকাশে সপ্তর্ষি মন্ডল, কালপুরুষ দেখছি, আর একদম পিঠের কাছেই গা ছমছম নিবিড় জঙ্গলে হঠাৎ হঠাৎ যেন দুচোখে আগুন নিয়ে কারা নিঃসাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ।

পরের দিনের সফর শুরু হলো সকাল সাড়ে সাতটায়। যদিও সাতটায় বেরোনোর কথা ভাবা হয়েছিল, তবে এগারোজন অ্যাডাল্ট আর দুজন বাচ্চাকে শীতের সকালে তৈরি করে আধঘন্টার দেরি মাফ করে দেওয়া যায়। সকাল ঠিক ছটায় বেড টি আর বিস্কিট খেয়ে আমি রেডি হয়েই ছিলাম। সুন্দরবন রেসিডেন্সি একটা বড় পুকুরকে ঘিরে দুপ্রান্তে তিনটে তিনটে করে ডুয়াল কটেজ অর্থাৎ একটি ইউনিটে দুটো করে কটেজ। আমরা ডানদিকের ছটি কটেজে আছি। প্রশস্ত এলাকা জুড়ে কটেজগুলি ছড়ানো। আর পুকুরকে বেড় দিয়ে সুন্দর মরশুমি ফুলে সাজানো কংক্রিটের পথ। দুটো-তিনটে পাক দিলেই মোটামুটি ভাবে প্রাতঃকালীন হন্টন পর্ব সমাধা করা যায়। পুকুরের পাশে আমার ঘরের ঠিক পাশেই নাগরদোলা, সি-স, স্লিপ ইত্যাদি বাচ্চাদের মনের মতো মজাদার এন্টারটেনমেন্টের ব্যবস্থা আছে।

 

আজ আমরা যাবো দোবাঁকি , প্রায় তিন ঘন্টার বোট জার্নি। সড়ক খালি-২, সুন্দর খালি, চিরগাজি শালি নদী পেরিয়ে লঞ্চ এগিয়ে চললো। যাত্রাপথে সুন্দরবনের অপরূপ সবুজ সৌন্দর্য্যের আকরিক আশপাশ কি এক মহান সৌন্দর্য্যে মোহিত করে দিলো। শুধু কি পরিবেশ, প্রকৃতি !!!

সুন্দরবন আমাদের আজ কি না দিলো !!! সারা দিনে আমাদের মতো অর্বাচীনদের করুণা করে গেল বন্য বরাহ, পাঁচ -ছরকমের মাছরাঙা, Crested Serpent Eagle, Brahmin Kite, Snake Bird, Dotted Owlet, অনেক সারস , কাদা খোঁচা ইত্যাদি। তার সাথে সাথ দিয়ে গেলো ফিশিং ক্যাট, লেপার্ড ক্যাট। অনেক বন্ধু আমাকে এই ট্যুরের মেন্যু সম্বন্ধে সম্যক জানতে চেয়েছেন।

ব্রেকফাস্টে ছিল – আলু পরোটা, চাটনি, টক দই, জ্যাম-বাটার ব্রেড, আলুর চিপস, ডিম সেদ্ধ, ইত্যাদি। আর লাঞ্চে ছিলো- ভাত, রুটি, বেগুনভাজা, ডাল, বাঁধাকপি-চিংড়ির তরকারি, মাটন, চিংড়ির কারি, চাটনি, পাঁপড়, ইত্যাদি।

 

আনন্দের সময় বড় তাড়াতাড়ি কেটে যায়। কিভাবে যেন দুটো দিন হাসি-গল্পে, আড্ডা-আলাপে ঝটপট পেরিয়ে এলাম। আজই আমরা সুন্দরবন ছেড়ে চলে যাবো। কাল বিকেলে ফেরার পথে আমাদের নৌকার গাইডের কাছে ফোন এলো সুধন্যখালি ওয়াচ টাওয়ার থেকে বাঘ দেখা গেছে। শোনামাত্র গোটা বোট জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গেল। আশা-আনন্দ-হতাশা সব কিছুই প্রতিটি মানুষের অভিব্যক্তিতে মুহুর্মুহু খেলে গেলো। হতাশা কারণ আমরা ওই জায়গায় আজ যাবো–“ইশ ! কাল গেলে আমরাও হয়তো দেখতে পেতাম !!” আর আনন্দ , বাঘটা যদি আজ ওই অঞ্চলের কাছাকাছিই থাকে তাহলে আগামীকাল আমাদের আজও রয়্যাল দর্শন জুটে যেতে পারে।

 

সেইমতো ঠিক হলো আমরা আজ যতটা সকালে সম্ভব বেরিয়ে যাবো। কিন্তু কুয়াশা আর ভাটায় জল নেমে যাওয়ার কারণে সাড়ে সাতটার আগে স্টিমার ছাড়া সম্ভব হলোনা। আজ নৌকা চললো একদম কিনারা ছুঁয়ে, খুব ধীর গতিতে। সকালের জঙ্গলের চেহারা অবর্ণনীয়। কুয়াশাভেজা গাছ  থেকে টুপটাপ জল ঝরে পড়ছে, দূরে জলের বুক থেকে সাদা সাদা ধোঁয়া উঠে রোদের বুকে মিলিয়ে যাচ্ছে। আর আমাদের জোড়া জোড়া ক্ষুধার্থ চোখ জঙ্গলের স্বপ্ন ঘনত্বে স্বপ্ন আকরের সন্ধান করে চলেছে। বেশ কিছুক্ষণ আমাদের বোট একবার এপার একবার ওপার হয়ে চললো কিছু দেখতে পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে , কিন্তু উদগ্র কামনা কঠিন বাস্তবে বার বার ধাক্কা খেয়ে গেল। বারবার মনে হতে লাগলো এই বুঝি আমাদের সকলের সংকীর্ণ বুক কাঁপিয়ে ‘মহারাজাধিরাজের’ আবির্ভাব ঘটলো। কিন্তু না, কোনোভাবেই তিনি আমাদের আশা পূরণ করলেননা। তবে একবারে হতাশ হলামনা, যাত্রা পথে দেখা দিয়ে গেল অনেক হরিণ (সাধারণ হরিণের তুলনায় অনেক বড়), অজস্র পাখি- Lesser Adjutant Stork, Grey Headed Lapwing, Night Heron, Common Sandpiper. ইতিমধ্যে ব্রেকফাস্ট সারা হলো, কড়াইশুঁটির কচুরি, চানা বাটোরা, ব্রেড-বাটার, সন্দেশ, ডিম সেদ্ধ, আর গরম বোঁদে সহকারে। মধ্যে মধ্যে চা-কফির যোগান তো ছিলই। এরপর এগোতে এগোতে পৌঁছে গেলাম সুধন্যখালি। এখানের অভিজ্ঞতা যত কম বলা যায় ততই ভালো। প্রজাতন্ত্র দিবসে হাজারে হাজারে মানুষ পিকনিকের মুডে এখানে হাজির হয়েছে। তারা না জানে সুন্দরবনের মাহাত্ম্য, না জানে বিহেভিয়ার। সুন্দরবনে মানুষ কি উদ্দেশ্যে আসে, কি মানসিকতা আর আচারব্যবহার অবশ্য কাম্য সে সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র শিক্ষা তাদের নেই। তাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে বাঘ তো দূরের কথা একটা বিড়ালও আসতে পাঁচবার ভাববে। ভিড়ে উপচে পড়া ওয়াচ টাওয়ার থেকে দেখলাম দুটি নিরীহ হরিণ ঘাস, লতাপাতা খেতে খেতে মানুষের অসভ্যতামি দেখছে।

ওখান থেকে বেরিয়ে এবার ফেরার পথ ধরা হলো। তারপরও আমাদের গাইড, বোটের লোকজন আমাদের একটা বাঘ দেখানোর বহু প্রচেষ্টা করে গেল। কিন্তু আমাদের পোড়া অদৃষ্ট খণ্ডাবে কে ! এর পরে আর বেশি কিছু আশা না করে লাঞ্চে মনোনিবেশ করলাম-চিকেন বিরিয়ানি, চাটনি, পাঁপড়, স্যালাড মিষ্টি, আর যারা মাংস খেলোনা তাদের জন্যে ডিমসেদ্ধ আর মাছের ঝাল।

শেষে এসে আমাদের ব্যবস্থাপক আর তার ব্যবস্থাপনার কথা না বললে অন্যায় হবে। নীলাদ্রি আমাদের যে আতিথেয়তা , সঙ্গ আর ইনফরমেশন দিয়ে গেছে তার মূল্য বিচারের ধৃষ্টতা আমার নেই। ও নিজে একজন wild life photographer, আর সুন্দরবনের flora আর fauna সম্বন্ধে জ্ঞান তুলনারহিত। তার চেয়েও বড় কথা নীলাদ্রি আর তার টিম প্রতিটা মুহূর্তে যেভাবে আমাদের খাওয়া-থাকা-আনন্দ-বিনোদনের দিকে নজর রেখেছে, আমাদের প্রতিটা আবদার-বায়না হাসিমুখে মুহূর্তের মধ্যে মিটিয়েছে তার জন্য কোনো প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। একজন আগাপাশতলা ভদ্র, শিক্ষিত, সম্ভ্রান্ত, শিষ্ট মানুষ। তার কোম্পানির নাম ‘dream safari’. ফেসবুক পেজে বা গুগলে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। কথা দিচ্ছি ওনার সাথে পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে গিয়ে পড়লে ঠকবেন না। সর্বোপরি আমার এই দফার সুন্দরবন ভ্রমণকে স্মরণীয় করে রাখার পিছনে অবশ্যই কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন আমার সফরসঙ্গীরা। এত ভালো সঙ্গী পাওয়াও ভাগ্যের ব্যাপার। তাই প্রত্যেককেই আমি ঐকান্তিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এই প্যান্ডেমিক সময়ে যখন আমরা ইচ্ছে থাকলেও খুশি মতো বেরোতে পারছিনা তখন অতীত রোমন্থনই এখন আমাদের একান্ত বিনোদন ৷

 

লেখক: ডঃ গৌতম সরকার

অর্থনীতির শিক্ষক, কলকাতা, ভারত ।

এই লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *