আপনদ্বার

আপনদ্বার

আশিক মাহমুদ রিয়াদ

নিশুতি রাত! চারদিকে ঝি ঝি পোকার আওয়াজ। গ্রামে রাত হলেই সব নিস্তব্ধ হয়ে যায়। এই চুপচাপ পরিবেশের মধ্যে ঘরের খাটে ঘুমাচ্ছিলেন আফসার আলী। পাশে তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় তার স্ত্রী মতিয়া বেগম। হঠাৎ করে বিকট শব্দে ধাতব কিছু মেঝেতে পড়ার কর্কষ শব্দ শোনা গেলো। কিছুটা হতবিহ্বল হয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলেন দুই দম্পত্তি।গভীর ঘুমে থাকায় বেশিক্ষণ চোখের পাতা খোলা রাখতে পারলেন না আফসার সাহেব। মতিয়া বেগম ছুঁটে গেলেন খাবার ঘরে। খাবার ঘরে তখন রাতের আঁধারে খাবার ভাতের প্লেট নিয়ে টেবিলে বসে ক্ষুধার্ত হয়ে ভাত খাচ্ছিলো আফসার আলী এবং মতিয়া বেগমের বড় ছেলে সুমন। মতিয়া বেগম খাট থেকে নেমে অন্ধকার পায়ে খাবার ঘরের দিকে এগিয়ে গিয়ে বাতি জ্বালালেন৷ অপ্রস্তুত আলোক ঝলকানিতে কিছুটা ভীতসন্ত্রস্ত হলো সুমন। মতিয়া বেগম কঠিন গলায় বললেন, কখন ফিরেছিস? সুমন কোন কথা না বলে, মুখে বড় বড় ভাতের দলা মুখে ঢুকাচ্ছে। মতিয়া বেগম এবার গলায় কিছুটা ভেজা কান্নার সুর করে বিড়বিড় করে বললেন, এমন এক অপয়া জন্ম দিয়েছি। কেন দিলাম? কেন দিলাম? সুমন ভাতের বড় বড় দলা মুখে ঢোকানো রেখে মায়ের দিকে তাকালো অপরাধী ভঙ্গিতে। চাপাস্বরে বললো, মা! এভাবে কেন করছো? আমি ফিরেছি একটু আগে। মতিয়া বেগম শাড়ি দিয়ে চোখে কান্নার জল মুছতে মুছতে এগিয়ে গেলেন সুমনের দিকে। অভিমানী কন্ঠে বললেন, “হাড়িতে আরও ভাত আছে, ক্ষিধা লাগলে নিয়ে নে।” সুমন খাওয়া শেষ করে উঠে মায়ের কাছে অপরাধী কন্ঠে বললো,” পাশের গ্রামে যাত্রাপালা ছিলো মা! সেখানে গিয়েছিলাম। খুব ভালো আয়োজন হয়েছে। ঠিক তখনই আফসার সাহেবের কাঁশির শব্দ শোনা যায়। চোখেমুখে কিছুটা ভয়ের ছাপ পরে সুমনের।


২.
সকালে সুমনের ঘুম ভাঙে বাবার উচ্চ গলার স্বরে। বাবা কাকে যেনো বকাঝকা করছে, কান পেতে শোনে। তাকেই বকাঝকা করছে৷ বারান্দা থেকে ভেসে আসছে বাবার গলার শব্দ, ‘একটা হারামজাদা পয়দা করেছি৷ এইটুকু বয়সে আমার জীবনের বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালরাত করে ঘরে ফিরেছে। ও কি ভেবেছে? আমি কিছু টের পাইনি? মাঝেমধ্যে ইচ্ছে হয়, কান টেনে ধরে ঘর থেকে বের করে দেই৷ এতে যদি আমার একটু শান্তি হয়।”

বাবার এসব কথা কানে নেয় না সুমন। তবে উচ্চস্বরে ঘুমাতে তার ভীষণ অসুবিধা হচ্ছে৷ তাই রাগে দাঁত কিড়মিড় করে কানে বালিশ চেপে ঘুমায়।


আফসার সাহেব পেশায় একজন শিক্ষক। পরিবারে পাঁচজন মাত্র সদস্য। বড় ছেলে সুমন এবার মাধ্যমিক পরিক্ষা দেবে৷ ছোট ছেলে ক্লাস এইটে পড়ে। আর ছোট মেয়েটা ক্লাস সেভেনে৷ তার জীবনের অন্যতম বড় আফসোস নিজে স্কুল শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও নিজের বড় ছেলেকে তিনি সঠিক পথে আনতে পারেননি। বড়ছেলে বদ সঙ্গের সাথে মিশে নষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ তাই তিনি বড়ছেলে দু’চোখে দেখতে পারেন না৷ পরিবারে অতিপ্রিয় সদস্য, ছোট ছেলে রবিন আর ছোট মেয়ে স্নেহা। তিনি মাঝেমধ্যে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান, ক্লাস টেনে পড়া ছেলেকে তিনি কন্ট্রোলে রাখতে পারেননি৷ এই বয়সে ভীষণ বেপরোয়া সুমন৷ যে কারনে তিনি তার সহচারীদের কাছে মুখ দেখাতে গিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়েন বটে৷

আরও দুর্দান্ত সব গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বাবার আদর পাওয়া রবিন প্রতি পরিক্ষায় ভালো করে৷ আছে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার খেতাব৷ রবিন খুব মিষ্টি করে কথা বলতে পারে, সাথে ইংরেজীতে অনর্গল কথা বলার কৃতিত্বও৷ রবিন তো সেদিন বিতর্ক আর কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কি দারুণ করেই না কথা বললো। প্রশংসা কুড়ালো সবার৷ এসব কথা আফসার সাহেবের কানে আসলে তিনি কিছুটা স্বস্তিবোধ করেন৷

এই অল্প বয়সে নিজেকে পরিপাটি হিসেবে উপস্থাপন করে সবার রবিন৷ বাড়িতে আসলে একজনকে দেখলে তার ভীষণ মেজাজ খারাপ হয়৷ তার বড় ভাই যাকে অবশ্য বদ ভাইও বলা চলে৷ এই তো কয়েকদিন আগে কিছু টাকা জমিয়ে রেখেছিলো রবিন। ইচ্ছে ছিলো সেই টাকা ভালো কাজে খরচ করবে। তার সেই জমানো টাকার প্রায় অর্ধেকটাই নিয়ে গেছে তার বদভাই সুমন। এই বদ ছেলেকে নিজের ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে ভীষণ লজ্জা হয় তার৷

৩.
সুমন অবশ্য রবিনের সাফল্যে কোনভাবেই হিংসা করে না। তবে সুমনকে অধিকাংশ কথা শুনতে হয় তার ছোট ভাইয়ের সাফল্যে। মানুষ তাকে তাছ্বিল্য করে। অবশ্য এতে সে গা ভাসায় না। তবে মাঝেমধ্যে রবিনের উপর তার কেন যেন রাগ হয়, বড় ভাই হিসেবে রবিন তাকে একটুও সম্মান করে না৷ বরং সুযোগ পেয়ে মাঝেমধ্যে রবিনের কাছে তাচ্ছিল্যের শিকার হয় সুমন। মাথায় রাগ উঠে গেলে বসিয়ে দেয় দু এক ঘা। এতে অবশ্য তাকেই পরে মার খেতে হয়।

শনিবার বিকেলের ঘটনা, রবিনের টাকা চুরি করে নেওয়ায় সে বড় ভাইয়ের ওপর চড়াও হয়। সুমন অবশ্য নিজেকে গুটিয়ে নেয় রবিনের কাছে৷ রবিন সামনে পা বাড়াতে থাকে, রাগের মাথায় কষে থাপ্পড় মারে। নিজেকে সামলাতে না পেরে অবশ্য সুমনও রবিনের চুল টেনে ছিড়ে ফেলে। রবিন কাঁদতে কাঁদতে বাবাকে গিয়ে নালিশ করে। নালিশ শুনে বাবার মাথায় রাগ উঠে যায়, ছেলেটা দিন দিন বদ থেকে আরও বদ হয়ে যাচ্ছে৷ এর একটা বিহিত হওয়া দরকার৷ বিকেলে স্কুল মাঠে খেলছিলো সুমন। বাবা তাকে শার্টের কলার ধরে টেনে বাড়িতে নিয়ে এসে উত্তমমধ্যম দেওয়ার পরিকল্পনা করলেও বাবার হাত থেকে ছুঁটে পালায় সে।মতিয়া বেগম এমন কান্ডে হতবাক হয়ে পড়েন। আফসার সাহেবের হাত থেকে রক্ত পড়ছে। ছেলেকে মারধরের সময় খেয়াল করেননি, সুমনের হাতের বড় নখে তার হাত কখন ছিলে গিয়েছে৷ স্বামীর হাত ডেটল দিয়ে পরিস্কার করে ব্যান্ডেজ করার সময় মতিয়া বেগম অগোচরে তার বড়ছেলের বেপরোয়া হয়ে যাওয়ার কথা ভাবেন। এভাবে এই ছেলে একদিন কালসাপ হয়ে যাবে। তিনি ভাবে আজ রাতে লুকিয়ে রান্না ঘরে খেতে এলে তিনি ছেলেকে শাস্তি দেবেন৷ তাতে তার যত কষ্টই হোক।


রান্নাঘরের একটা জানলার শিক কায়দা করে ফাঁকা করে রেখেছে সুমন। অতি জরুরী প্রয়োজনে সে এই গোপন পথ ব্যবহার করে। গভীর রাতে বাবা মা শুয়ে পড়েছে এই ভেবে নিশ্চিন্তে এক পা রাখে। মতিয়া বেগম টের পেয়ে যান, সুমন রান্না ঘরে ঢুকে পাতিল থেকে চুপি চুপি ভাত আর তরকারি নিতে যখন ব্যস্ত তখনই তার অগোচরের ভয়টি জীবন্ত হয়৷ লাইট জ্বলে ওঠে রান্নাঘরের, মতিয়া বেগম ছুটে যান তার। সুমন দিশেহারা হয়ে আত্মরক্ষায় হামাগুড়ি দিয়ে এক লাফে খাবার ঘর থেকে বের হয়ে ছু্ঁটে যায়৷ সামনের দরজার দিকে। সামনের বারান্দায় রবিন থাকে। সুমন একদৌড়ে গিয়ে রবিনের খাটে উঠে৷ রবিন ততক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছিলো, তবে দৌড়ঝাপের শব্দে তার ঘুম ভেঙে যাওয়ায় সে উঠে বসে৷ মতিয়া বেগম হাতের কাছে কিছু না দরজা আটকানোর লম্বা কাঠ দিয়ে সুমনকে বাড়ি মারতে গেলে রবিনের মাথায় সেই বাড়ির আঘত পরে। রবিনের মাথা ফেটে যায়, বিছানায় লুটিয়ে পড়ে রবিন। সুমন হাঁফাতে হাঁফাতে এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনার সম্মুখীন হয়। মতিয়া বেগম হতবাক হয়ে পড়েন। সুমন দৌড়ে গিয়ে মায়ের হাত থেকে লাঠিটা কেড়ে নেয়। ঠিক তখনই ঘুম থেকে জেগে আফসার সাহেব এসে দেখেন এমন মর্মান্তিক কান্ড। তিনিও মর্মাহত হন। রবিনের নিথর দেহ পড়ে আছে বিছানায়, রক্তের স্রোত বিছানার চাঁদর বেয়ে মেঝে তলিয়ে গেছে। বড় ছেলেকে খুনি বলে ওঠেন তিনি। সুমন অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে। আজ রবিনের জন্য তার মায়া হচ্ছে ভীষণ।

৪.
পরদিন সকালে পুলিশ এসে সুমনকে তুলে নিয়ে যায় রবিনকে হত্যার অভিযোগে৷ মতিয়া বেগম বাকরুদ্ধ হয়ে বসে থাকেন, আফসার সাহেব মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন ভীষণ। রবিনের মৃত্যুর ঘটনায় জনস্রোত নামে গ্রামজুড়ে৷ সুমনের চোখের জল শুকিয়ে গেছে। আজ তার নিজেকে ভীষণ অসহায় মনে হচ্ছে। পুলিশ তাকে টেনে হিচড়ে নিয়ে যাচ্ছে সে তাকিয়ে যাচ্ছে নিজের বাড়ির দিকে। এই বাড়িকে তার কখনো আপন মনে হয়নি।


এই ঘটনায় সুমনের শাস্তি হয়, জেলখানায় বসে নিজের ভুল বুঝতে পারে সুমন। তবে সুমন তো খুন করেনি। তবে এই দূর্ঘটনার জন্য সে নিজেই দায়ী। চৌদ্দ শিকের চারদেয়ালে বয়স বাড়ে সুমনের। তাকে পনেরো বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়।তার তারুণ্য কাঁটে জেলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের সাথে। জেলের চারদেয়াল যেন চেপে আসে তার দিকে। গভীর রাতে হুঁ হুঁ করে কাঁদে সুমন এই পৃথিবী, বাবা, মা কেউই তার জন্য না? তার ভীষণ মা’কে দেখতে ইচ্ছে হয়। মা’কে জড়িয়ে ধরে বলতে ইচ্ছে হয়, মা দেখো আমি ভালো হয়ে গেছি। মা তুমি আমায় বুকে জড়িয়ে নাও।স্নেহাকে দেখতে ইচ্ছে হয় খুব দেখতে ইচ্ছে হয়। স্নেহা কি খুব বড় হয়ে গিয়েছে? স্নিগ্ধার কি বিয়ে হয়ে গিয়েছে? তোমরা কি ভালো আছো মা?চারদেয়ালকে প্রশ্ন করে সুমন।


৫.
পনেরো বছর পরের ঘটনা, এক শীতের সকালে জেল থেকে মুক্তি পায় সুমন। সেলুনে গিয়ে আয়নায় তার চেহারা দেখে নেয় প্রথমে। দোকান থেকে একটা শাল কিনে গায়ে জড়িয়ে নেয়। চাঁদর মুড়ি দিয়ে রওনা করে গ্রামের দিকে। বাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকে আড়ালে। এ বাড়িতে আজও কান্নার রোল পড়েছে। লোকজন ভীড় করছে, বাড়ির সামনে একটা খাঁটিয়া রাখা৷ সুমনের কলিজা ধ্বক করে ওঠে অজানা কোন হারানো অনুভূতিতে।রাস্তায় একজন লোকের কাছে জিজ্ঞেস করে, “এ বাড়িতে কি হয়েছে?” লোকটি উত্তর দেয়, ‘ এই বাড়ির আফসার মাস্টার গতকালকে রাত্রে মারা গেছে। ‘
লোকটির কথা শুনে সুমনের হৃদয় ভেঙে যায়। সে সত্যিই অপয়া! চোখের কোণে জল এসে যায় তার। দূর থেকে তাকিয়ে দেখে সেই করুণ দৃশ্য। ঘরের সামনে একটা খাঁটিয়া রাখা। শাদা কাফনে মোড়ানো লাশ।এই লাশ তার বাবার। সুমনের ভীষণ ইচ্ছে করছে এগিয়ে যেতে, অদ্ভুত কোন শক্তি তাকে যেতে বাধা দিচ্ছে । কে বা আপন কে বা পর, খোলা থেকেও বন্ধ আপনদ্বার৷

“বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ যদি অনুমতি ছাড়া লেখা কপি করে ফেসবুক কিংবা অন্য কোন প্লাটফর্মে প্রকাশ করেন, এবং সেই লেখা নিজের বলে চালিয়ে দেন তাহলে সেই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবে
ছাইলিপি ম্যাগাজিন।”

সম্পর্কিত বিভাগ

পোস্টটি শেয়ার করুন

Facebook
WhatsApp
Telegram
নেই, কোথাও কেউ

নেই, কোথাও কেউ

জোবায়ের রাজু গ্রাম থেকে শহরে এসেছে দিদার। ভর্তি হয়েছে শহরের নামকরা একটি কলেজে। এই শহরে থাকার মত দিদারের কেউ নেই। তাই সে বন্ধুদের সাথে মেসে ...
বর্ষায় সাত গুরুং নদীর তীরে দুয়ারসিনিতে

বর্ষায় সাত গুরুং নদীর তীরে দুয়ারসিনিতে

ডঃসুবীর মণ্ডল দুয়ারসিনি -ঘাটশিলা ও তাঁর আশপাশ অঞ্চলে বর্ষার  ছোঁয়া পেতে গিয়েছিলাম  গত সপ্তাহে   এক কাকভোরে  আমরা পঞ্চপাণ্ডব । খাতড়া থেকে ভোর ৫টায়   বেরিয়ে  পড়লাম।   ...
মেয়েটা-ডঃ গৌতম সরকার / সাপ্তাহিক সংখ্যা-১৮

মেয়েটা-ডঃ গৌতম সরকার / সাপ্তাহিক সংখ্যা-১৮

ডঃ গৌতম সরকার   ‘এই মেয়েটা ভেলভেলেটা ‘ আমার সঙ্গে যাবি ! অনেকদিন ভাত খাসনি পেট ভরে ভাত খাবি…!   এই মেয়েটা…..ভিক্ষে করিস !!! আমার ...
  এক রুপোলি সন্ধ্যায় - মহ. শামীম আফরোজ

  এক রুপোলি সন্ধ্যায় – মহ. শামীম আফরোজ

মহ. শামীম আফরোজ নারিকেলের ওই পাতার পরে, দুগ্ধ-জোৎস্না যেন পড়ে ঝরে, জোয়ারে ভেসেছে শশী উপচে পড়া যৌবনে l দিগন্তের ওই বনরাজি, উঠিয়াছে আজি সাজি সাজি, ...
বেকুটিয়া সেতু

বেকুটিয়া সেতু

উদ্বোধন হলো আরেকটি স্বপ্নের সেতু! বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এগিয়ে গেলো আরেকধাপ।  পদ্মা সেতু বাঙালীর নবগৌরবের এক অদম্য স্থাপনা। কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের ইতিহাস সৃষ্টিকরা ঘটনা ...
শিরোনামহীন - ৬৯ / গোলাম কবির

শিরোনামহীন – ৬৯ / গোলাম কবির

গোলাম কবির কেনো এতো সরে থাকো, আনমনে কি যেনো ভাবো, শীতের শীর্ণ নদীর মতো  হয়ে থাকো ম্রিয়মান, কষ্ট গুলো লুকিয়ে রাখো কোন গাছের কোটরে! কবিতার ...