রক্তরস [তৃতীয় পর্ব]

রক্তরস [তৃতীয় পর্ব]

আশিক মাহমুদ রিয়াদ

চেয়ারম্যান আজগর চিন্তিত ভঙ্গিতে বসে আছেন। আজকাল তাকে ব্যাপক চিন্তিত দেখা যাচ্ছে। তিনি বিরস মুখ করে বসে আছেন,পুকুর পাড়ে। সকাল থেকে চা খাওয়া হয়নি,তিনি চা খাবেন না না খাবেন তাই নিয়ে ব্যপক দূশ্চিন্তায় আছেন।তার এই দুশ্চিন্তার কারন থানায় নতুন ওসি এসেছে। বয়স কম। ভিতরের খবর পাওয়া মতে,তিনি থানার ফাইল পত্র সব ঘাটাঘাটি করছেন।
চেয়ারম্যান হাঁক দিয়ে কাজের মেয়ে মর্জিনাকে ডাকলেন। মর্জিনা এলো হাতে এক গ্লাস পানি নিয়ে।
সে পানি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। চেয়ারম্যান তাকিয়ে আছে পুকুরের দিকে। পুকুর খনন করেছেন সেই বারো বছর আগে৷ তার খুবই ইচ্ছে ছিলো গরমের দিনে এই পুকুরে নেমে ঝাপাঝাপি করবেন৷ কেন যেন আর নামা হলো না পুকুরে। প্রথম দিন তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে পড়ে কোমড়ে ব্যথা পেয়েছিলেন।তার পর আর নামতে ইচ্ছে করেনি এই পুকুরে।




মর্জিনাকে ধমক দিয়ে বলেন,’মনির কই?’ মর্জিনা কাঁচুমাচু খেয়ে বলে,’হাঁটে গেছে, সদাই আনতে। ‘
চেয়ারম্যান বিড়বিড় কী যেন বলে, অস্পষ্ট শোনা যায়।
তিনি বলেন,
আমার বদ হারামজাদা পোলায় কি ঘরে আছে?
মর্জিনা মাথা ঝাকায়,সে জানে না।
বদের ঘরে বদ জন্ম দিছি একটা বুঝলি।
মর্জিনা এবার মাথা নাড়ায় না।
চেয়ারম্যান অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে বলে,আমারে কি না বলে আমি কুত্তা। বুঝোস? বাপেররে কয় কুত্তা। কত বড় বদের বদ, হারামজাদার এক ঢেড়।
হঠাৎ চিৎকার শোনা যায়, মর্জিনার হাত থেকে পানির গ্লাস পড়ে যায়৷ পানির গ্লাস পড়ে যাওয়ার শব্দে বিভ্রম ভাঙে আজগর সাহেবের। তিনি মর্জিনার দিকে তাঁকিয়ে বলে, ‘চিৎকার দিলো কেডা?’
মর্জিনা আতংকিত মুখ করে বলে,’আম্মায়। ‘
আফরোজা বেগমের হাত কামড়ে ধরে বসে আছে মানষিক ভারসাম্যহীন ছেলেটা। হাত থেকে রক্ত পড়ছে। মর্জিনা টেনেও হাত ছুটাতে পারছে না। আজগর সাহেব হাত পিছন মোড়া করে দাঁড়িয়ে আছে। আফরোজা বেগম ব্যথায় চেচিয়ে যাচ্ছেন।
চেয়ারম্যান পাশের ঘর থেকে বেতের মোটা লাঠিটি নিয়ে আসলেন। এর পর সপাটে বাড়ি দিতে থাকলেন মানষিক ভারসাম্যহীন ছেলেটার গায়ে। আজগর সাহেব যতই বাড়ি দেন, ততই শক্ত করে কামড় দেয় মানষিক ভারসাম্যহীন ছেলেটা।
অজ্ঞান হয়ে গিয়েছেন আফরোজা বেগম। তাকে দেখছেন এলাকার দাতব্য চিকিৎসক হরিপদ মুখোর্জি। এলাকায় তার চিকিৎসা নিয়ে ভালোই প্রশংসা আছে।বাজারের শেষ প্রান্তে তার দাতব্য চিকিৎসালয়।
আজগর সাহেব বসে আছেন বারান্দায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি এই অশান্তি দেখতে দেখতে বড় হয়েছেন। তিনি বিরস মুখে ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করতে লাগলেন।




*********

আজগর সাহেব বসে আছেন খাটের কোনে। তার হাতের তালুতে তেল তেলে বেতের লাটি। এই লাঠি ছিলো তার বাবার। তার বাবার পরে এখন তিনি ব্যবহার করছেন।
আজগর সাহেব শ্লমা জড়ানো গলায় বললেন,’কেমন আছিস?’
নদী বানু আজগর সাবেবের গাঁ ঘেষে বলল,’আপনারে ছাড়া ভালো থাকি কেমনে?’
চেয়ারম্যান বললেন,’আমি তো একা তোর খদ্দের নাই। ‘
নদী বানু বলল,’এই নদীতে আপনি না আসলে শান্তি লাগে না৷’
আজগর সাহেব হাতের লাঠি উঁচিয়ে নদীকে দুরে সরিয়ে দেয়। তারপর বলে,’নদী তুই নাঁচতে পারোস?’
নদী বলল,’নাচের কাঁজ কারবার তো আমার না। তয় আপনে যখন কইছেন তখন নাচুম। ‘
নুপুরের ঝুম ঝুম শব্দ হয়,আকাশের চাঁদ তখন ঢলে পড়েছে। নদীতে জোয়ার এসেছে আর এদিকে নদী নৃত্যলীলায় মগ্ন। আজগর সাহেবের হাতে সিগারেট। তিনি এই নৃত্যলীলা উপভোগ করছেন।
আজগর সাহেব গায়ে জামাকাপড় জড়িয়ে নেয়। দরজা খুলে দ্রুত বের হয়ে যায়।যাওয়ার আগে টাকাগুলো ছুড়ে ফেলে দিয়ে যায় নুপুরের গায়ে।
এরপরই ঘরে ঢোকে রনি। দাত মুখ খিচিয়ে বলে, ‘চোত্মারানী! ‘ নদী হাসে।



মর্জিনা এই ঘরে আসলে আতংকিত হয়ে পড়ে। এই ঘরে যে থাকে সে সুস্থ মানুষ না, তার কাছে একটা মানুষকে খুন করা কোন কঠিন ব্যাপার না। আফরোজা বেগম মর্জিনাকে বলেছেন তাকে তার ছোট ছেলের ঘরে খাওন দিয়ে আসতে। ছোট ছেলেকে খাওন দিতে এসে একবার মর্জিনা মারা পড়া যাচ্ছিলো প্রায়৷ খাবার দিয়ে যখন সে বলল,’ছোট ভাইজান! খাবারডা খাইয়া নেন। ঠিক তখনই মর্জিনাকে, সে হেঁচকা টান দেয়। গলা টিপে ধরে৷ ভাগ্য ভালো এর মধ্যেই মনির চলে এসেছিলো না হলে তো মারা পড়ছিলো প্রায়। ধম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। এদিকে হাতের নাগালে না পেয়ে মানষিক ভারসাম্যহীন ছেলেটি রাগে ক্ষোভে ফেঁটে পড়ে।তারপর চিৎকার চেচামেচি!
মর্জিনাকে ছেলেটি বলে,’তর নাম কি?’
মর্জিনা বলে,’আমার নাম জানেন না ছোট ভাইজান? আমার নাম মর্জিনা। ‘
ছেলেটি অট্টোহাঁসি দিয়ে বলে,’মরবি না?’
মর্জিনা আতংকিত চোখে তাকিয়ে থাকে।
ছেলেটি হাতের ইশারায় ডাকে মর্জিনাকে,এদিকে আয়।
মর্জিনা ভয় পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
ছেলেটি ধমক দিয়ে বলে, আমার নাম কি জানোস?
মর্জিনা বলে,’জ্বী ভাইজান! আপনার নাম মনি ভাইজান ‘
মনি এবার হাত দিয়ে ডাকে মর্জিনাকে,এদিকে আয়।
মর্জিনা পা টিপে টিপে আতংকিত হয়ে আগায়।
মনি বলে,আমার সামনে বস।
মর্জিনা ভয় ভয় বসে।
মনি মুখ থেকে একদলা থুতু ছিটিয়ে দেয় মর্জিনার মুখে। তারপর অট্টহাসি দিয়ে বলে,’আমার নাম থুতু,ছেপ,কাশ। গু,মুত। ‘ হা হা হা হা!
মর্জিনা ওয়াক করে বমি করে দেয়। এ ঘটনা চোখ এড়ায় না আফরোজা বেগমের। তিনি মর্জিনাকে কান ধরে নিয়ে যান। তার পর চুলের মুঠি ধরে সপাটে মারেন।



মোয়াজ্জিনের ঘুম ভেঙে যায় নিয়ম করেই। শরীরটা এ অভ্যেসের নিয়ম জানে। তাইতো নিয়ম করেই শেষরাতে জেগে ওঠে। কেউ যেন কানে কানে বলে দেয়, ‘আজান দিতে হবে! ওঠো! আর ঘুমিয়ে থেকো না। মানুষকে মসজিদে ডাকো। নামাজ পড়ো! ‘
ঘুম থেকে উঠে যায় মাওলানা ইদ্রিস উদ্দিন। এই গ্রামের মসজিদের ইমাম তিনি। সে মসজিদে ই ঘুমায়, তাকে একই সাথে ইমামতি এবং মুয়াজ্জিন এর কাজ করতে হয়।গোটা জীবন তিনি আল্লাহ’র রাস্তায় থেকেছেন। মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেছেন।ছোটবেলা থেকেই এতিম তিনি।
ঘুম থেকে উঠেই তিনি আল্লাহর নাম নেন মুখে! আল্লাহ ক্ষমা করো! বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। তারপর হাটেন কলপাড়ের দিকে।
মসজিদের কোনে একটি ৬০ ওয়াটের টাংস্টেন বাল্ব জ্বলছে। মসজিদটি প্রায় নদীর পাশেই। এ নদী বেশ খড়স্রোতা হয়ে ওঠে আষাঢ় মাসে। আজকাল শান্ত,দেখে বোঝার উপায় নেই এই নদী ভাঙে। তবুও যে নদীর নিয়ম ভাঙা। সম্পর্কের মতো সেও ভাঙবে। একটু একটু করে। আবার গড়বে। চর জেঁগে উঠবে,আশা জাগাবে।কথায় আছে, নদী এক কূল ভাঙে আর এক কূল গড়ে।



কল ঘাটায় শব্দ হচ্ছে! গড়গড়া করছে মাওলানা ইদ্রিস উদ্দিন। অযু করছে সে। সকালে ঠান্ডা বাতাস গায়ে লাগছে। হাঁচি আসছে! হাঁচি দিচ্ছে।
মসজিদে আযান পড়ছে সুর করে। আযানের সুর ভেসে যাচ্ছে, নদীর ঢেউ,বাতাস আর আযানের ধ্বনি মিলে মিশে নতুন আবহ সৃষ্টি হয়েছে।এই সৃষ্টি কি মধুর,কি মিষ্টি।
আযান পড়ার পরে, মাওলানা ইদ্রিস উদ্দিন দাঁড়িয়ে আছেন মসজিদের বারান্দায়।ভেতরে গিয়ে বসলেও পারেন। তবে দাঁড়িয়ে থাকতে তার ভালোই লাগছে। নদীর ঠান্ডা হাওয়া এসে মুখে লাগছে।একটা কুকুর হেটে যাচ্ছে। কুকুর কিংবা অন্য কিছু নাকি কে জানে! অনেক কিছু আছে যেগুলো মানুষ দেখতে পায়না,কিন্তু তারা মানুষের বেশে কিংবা অন্য কোন প্রানীর বেশ ধরে ঘুরে বেড়ায়। মাওলানা ইদ্রিস উদ্দিন কুকুরটিকে তাড়া দেয়। কুকুরটি শান্ত ভঙ্গিতে কয়েক পা হেঁটে মাওলানার দিকে মুখ ফিরিয়ে তাকায়।
মসজিদে ফজরের ওয়াক্তে বেশি লোকজন আসে না। দু একজন আসে।
-“আসসালামু আলাইকুম মাওলানা সাহেব”,
আচমকা লাফিয়ে ওঠে মাওলানা।
-নিজেকে সামলিয়ে সালামের উত্তর দেয়,’ওয়ালাইকুমুস সালাম। ‘
-‘কি দেখছিলেন মাওলানা সাহেব”
-‘কিছু না! আপনার জন্যই দাঁড়িয়ে ছিলাম। চলুন মসজিদের ভিতরে চলুন। নামাজের ওয়াক্ত হয়ে গিয়েছে। ‘
নামাজের মধ্যে আরো এখন মসজিদে উপস্থিত হয়। তিনি বৃদ্ধ মুসলেমউদ্দীন।


*
নদী পাড়ের পথ ধরে হাঁটছে মাওলানা ইদ্রিস এবং আজিজ মাষ্টার৷ আজিজ মাষ্টার এই গ্রামের হাইস্কুলের মাষ্টার৷ তিনি অঢেল সম্পত্তির মালিক। তবে তার বেশি সম্পত্তি এখন নদীগর্ভে বিলীন। এখন শুধু আছে নিজের বাড়িটি, সংসারে টানাটানি। তবুও সব নিয়ে ভালো আছেন। গা’য়ের মানুষ তাকে সম্মান করেন।
-“মাওলানা ইদ্রিস?”,হাঁটতে বলে আজিজ মাষ্টার
-জ্বী মাষ্টার সাহেব!
-“দেখছেন এইবার কিন্তু নদীতে তেমন স্রোত নাই। কেমন শান্ত হয়ে বয়ে চলতেছে। এইবার মনে হয় চর জাগবো। ”
-“আল্লাহ ভরসা! আল্লাহর মেহেরবানিতে হবে সব”
-“গত বছর বর্ষায় যেমন ভাঙ্গা দিলো।এবার এইরকম ভাঙলে মসজিদ টাও। “থেমে যায় আজিজ মাষ্টার। মসজিদটি তার ভিটায় বানানো,তার পূর্বপুরুষের বানানক মসজিদ। মুখ শুকিয়ে যায়, আজিজ মাষ্টারের।
-মাওলানা ইদ্রিস আজিজ মাষ্টারকে অভয় দিয়ে বলে, ‘ চিন্তা কইরেন না মাষ্টার সাহেব। আল্লাহ পাক আছেন। উনি দেখবেন সব। ‘
দুজনে হাটতে থাকেন হিন্দু পাড়ার রাস্তা ধরে,মিষ্টির ঘ্রান আসে, মন্দিরের টুংটাং ঘন্টা বাজিয়ে সকালের আরাধনায় ব্যস্ত পুরোহিত।
তারা যাচ্ছেন মাষ্টারের পুরোনো বাড়িতে। সেখানে আজিজ মাষ্টারের মায়ের কবর। কবর জিয়ারত করে, বাজার ফিরবেন। সেখানে সকালের নাস্তা খাবেন।
কবরস্থানের কাছাকাছি আসতেই তারা দুজন থমকে দাঁড়ায়।রীতিমতো চোখ কপালে ওঠার মতো ঘটনা। হঠাৎ তাদের চোখের সামনে সুপাড়ি গাছ বেয়ে নেমে যায় কালো গায়ের রঙের একটা অবয়ব। দুজনই হঁকচকিয়ে ওঠেন।মাওলানা ইদ্রিস বিড়বিড় করে আয়তুল কুরসি পড়তে থাকেন। হঠাৎ ই মাওলানা ইদ্রিস রাগন্বিত হয়ে বলেন,’দেখলেন মাওলানা সাহেব? দেখলেন? এদের জ্বালায় দুইটা সুপাড়ি খাওয়ার কোন উপায় আছে? চোরের ঘরের চোর, তিনি উত্তেজিত হয়ে আরো দু একটা গালি দিতে গেলেন,আবার থমকে গেলেন। গালি দিলে অযু করা লাগবে ৷



*
গ্রামের হাটে তখন মানুষের সমাগম একটু একটু করে বাড়ছে। দোকানীরা দোকান সাজাচ্ছে। রুটির হোটেলে শক্ত রুটি ছিড়ছেন মাওলানা ইদ্রিস। তার পাশে আজিজ মাষ্টার। আজিজ মাষ্টার রুটির দোকানীকে ধমক দিয়ে বলেন,’কি রুটি বানাও? ছিড়তেই তো কষ্ট হয়ে যায়। এত শক্ত রুটি পেটে গিয়ে কি গলে? আটা সিদ্ধ করে রুটি বানাতে পারো না? দোকানি রুটি বেলতে বেলতে জবাব দেয়,’মাষ্টার সাব! এই শক্ত রুটি হইছে আমগো মতো খাইট্টা খাওয়া মানুষ গো লইজ্ঞা। এই রুটি পেটে গেলে দুপুরে ভাত না খাইলেও চলব।
মাওলানা ইদ্রিস বিনীত সুরে বলে,’কথায় যুক্তি আছে! ‘
আজিজ মাষ্টার অন্য প্রসঙ্গ ধরেন।”মাওলানা সাহেব আপনার বয়স কত হইলো? “,বলেন আজিজ মাষ্টার।
মাওলানা ইদ্রিস বলেন, ‘এখন সাতাশ চলতেছে, আগামী রমজানে আঠাশে পড়বে। ‘
আজিজ মাষ্টার ঠাট্টার সুর করে বলে,’আপনারর দেইখা তো বোঝাই যায় না আপনার বয়স এত। আপনার তো মিয়া বিয়ার বয়স হইয়া গেছে। বিয়া করেন না কেন?’
মাওলানা ইদ্রিস লাজুক ভঙ্গিতে জবাব দেয়,’জন্ম, মৃত্যূ, বিবাহ এই তিনটি কাজ আল্লাহ পাকের হাতে। উনি যখন হুকুম দেবেন তখন সব কার্জ হইবে। ওনার হুকুম ছাড়া একটা গাছের পাতাও নড়ে না।’
“সুবাহান আল্লাহ! ”
“আল্লাহপাকের হুকুমই সব। কিন্তু উসিলা তো লাগে? যান আমি আপনার জন্য বিবাহের পাত্রী খুঁজবো। ”

 

[ভালো-খারাপের সংমিশ্রণেই আমাদের জীবন, রক্তরসের এই সিরিজটি আশাকরি আপনাদের কাছে বেশ উপভোগ্য হবে। সিরিজটির অডিও ভার্সন শুনতে চাইলে কমেন্টে লিখে জানাবেন। লেখকের কোন লেখাই অশ্লিল নয়, তবে কামুকতায় উত্তেজিত মানুষদের মস্তিষ্কে সুখকার অনুভূতি দিবে গল্পগুলো। এই গল্পের সিজন শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই আসছে প্রীতির গায়ের গন্ধ [সিজন-২]। তাই দেরী  না করে লাল রঙের সাবস্ক্রাইব বাটন চেপে সাবস্ক্রাইব করে নিন। খুব শীঘ্রই আসছে গল্পটির চতূর্থ পর্ব। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। সুস্থ রাখুন নিজেকে]

“বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ যদি অনুমতি ছাড়া লেখা কপি করে ফেসবুক কিংবা অন্য কোন প্লাটফর্মে প্রকাশ করেন, এবং সেই লেখা নিজের বলে চালিয়ে দেন তাহলে সেই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবে
ছাইলিপি ম্যাগাজিন।”

সম্পর্কিত বিভাগ

পোস্টটি শেয়ার করুন

Facebook
WhatsApp
Telegram
জোড়া কবিতা- লুনা রাহনুমা

জোড়া কবিতা- লুনা রাহনুমা

লুনা রাহনুমা   হৃদয় ঢেকে রেখেছিলাম কুসুমে কোমলে বাজার থেকে কিনে আনা দামি সুগন্ধে, গোলাপে আতরে জরির ওড়নায় লোকচক্ষুর অন্তরালে – আমার মগজের পচে যাওয়া ...
সেলিব্রেটি

সেলিব্রেটি

জোবায়ের রাজু ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইশতিয়াক আহমেদের অ্যাক্সিডেন্টের নিউজটা পত্রিকায় প্রথম চোখে পড়ে বাবলির। মাকে নিউজটা জানাতেই চমকে উঠেন শাহানা। চমকে উঠবেন নাও বা ...
তাল তমালের বনে

তাল তমালের বনে

আশিক মাহমুদ রিয়াদ দুটি ঘর্মাক্ত শরীর একে অপরকে শেষ চুমু দিয়ে বিছানা থেকে উঠে কাপড় দিয়ে নিজেদের লজ্জাস্থান ঢেকে নেয়। মেয়েটি চুলগুলো গুছিয়ে খোপা করে ...
হারাবো যেদিন

হারাবো যেদিন

জিয়াউল মোস্তফা জিসান কেন জানি খুব ভয় হয় আমার দিনশেষে, যদি হুট করে হারিয়ে যায় না ফেরার দেশে! ভয় হয় খুব যদি হারায় দূরে আর ...
বাঙলা ভাষার স্তুতি

বাঙলা ভাষার স্তুতি

আযাদ কামাল রক্ত-শপথে নির্ণীত অ,আ,ক,খ… আমার প্রিয় বর্ণমালা আমার ভাষা-চেতনার ভেতর বাহিরে নতুনের প্রেরণা। কী যে দ্যুতিময়!কী যে প্রাণময়! ভাষাশহিদের ভাষা প্রণয়। বর্ণবিভায় বিমোহিত বিশ্ববাঙালি আমার ...
ইউনিয়ন পরিষদ/ পৌরসভা/ সিটি কর্পোরেশন এ দরখাস্ত লেখার নিয়ম

ইউনিয়ন পরিষদ/ পৌরসভা/ সিটি কর্পোরেশন এ দরখাস্ত লেখার নিয়ম

নিত্য বাতায়ন দরকারী কাজে মাঝেমধ্যেই আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা কিংবা সিটি কর্পোরেশনে নাগরিক সুবিধা নিতে বিভিন্ন ধরণের দরখাস্ত -পেশ করতে হয়। যার মধ্যে জন্ম কিংবা ...