অণুগল্প- সেই কাশফুল I জুয়েল রানা সাকিব

অণুগল্প- সেই কাশফুল I জুয়েল রানা সাকিব

I জুয়েল রানা সাকিব
বিকালবেলা সবুজ ছোট ছোট ঘাসের উপর শুয়ে নীল আকাশ দেখার মাঝে কিংবা সাদা মেঘেদের বিভিন্ন জিনিসের আকৃতি দিয়ে কল্পনা করার মাঝে এক আলাদা সুখ আছে। যেটা সবাই অনুভব করতে পারেনা।
কিন্তু আমি পারছি। এই যে এতক্ষণ খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলাম যেন সব ভুলে সুখের দেশে ক্ষনিকের ভ্রমণ হয়ে গেল। তখনি মৃন্ময় এসে ডাকলো,,

-এই শুভ্র এখানে কি করছিস? খেলতে যাবি ?
-না রে,, এখন ইচ্ছে করছেনা তুই যা।
-তুই না খেললে আমিও যাবো না।
-তাহলে চল অনেক হলো আকাশ দেখা আমরা
বরং দিঘির পার থেকে ঘুরে আসি।

বন্ধু অনেকেই হয়। কেউ সুখে, কেউ প্রয়োজনে। কিন্তু দুঃখের সময় যে পাশে থাকতে পারে সেইত প্রকৃত বন্ধু। যার একটা প্রকৃত বন্ধু আছে তার কাছে অন্ধকারেও ছায়া আছে। মৃন্ময় তেমনি এক বন্ধু।

আমরা প্রায়ই দিঘির পাড়ে ঘুরতে যাই। দিঘির পারে এসে দুজনেই বসে আছি। হটাৎ মৃন্ময় বললো, আমি কাল দেশের বাড়ি যাচ্ছি। তুই মন খারাপ করিস না। কয়েকদিন থেকেই চলে আসবো। আর এটা আধুনিক যুগ হাতে এমন একটা যন্ত্র আছে যেটা দিয়ে যতই দূরে থাকিনা কেনো একে অপরকে দেখতে পাবো, কথা বলতে পারবো। এই বলে জড়িয়ে ধরে বিদায় নিল।

মন খারাপ একটু ছিল তাই বসেই রইলাম। তখনি পিছন থেকে একটা ছোট্টো মিষ্টি মেয়ে এসে বললো ভাইয়া আমাকে ঐ কাশফুল এনে দিবা..?
কেনো যেনো কথাটা ফেলতে পারিনি। তাই কিছু ফুল নিয়ে আসলাম। মেয়েটিকে দিতেই ভীষণ খুশি হয়ে গেলো। তখনি খুব সুন্দরী দেখতে আরেকটা মেয়ে আসলো। সুন্দরী বলতে অনেকটা কাশফুলের মতো। কথা শুনে ছোট্ট মেয়েটার বড় বোন মনে হলো। ছোট মেয়েটিকে বকা দিচ্ছিল। কেনো না বলে চলে আসছে।

আমি এক দৃষ্টিতে তাকিয়েই রইলাম। এই প্রথম কাউকে দেখে মনে হলো হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল, আমি কোথায় হারিয়ে গেলাম। ঠিক কি রকম অনুভুতি ছিল হয়ত বলে বোঝাতে পারবো না। কোনোদিন কাউকে দেখে এমন অনুভুতি হয়নি। আমার দিকে তাকাতেই নিজেকে সামলে বললাম,

-বকছেন কেনো ? ও ছোট তাই বুঝতে পারে নি।
ওর বোদ হয় কাশফুল খুব প্রিয়?
-না, আমার প্রিয়। ও জানতে চাইল “কাশফুল কোনগুলো” আমি দেখালাম, আর না বলেই কখন চলে আসলো। আপনাকে ধন্যবাদ ফুল গুলো এনে দেয়ার জন্য।
-আরে ধন্যবাদ দিতে হবে না। ও খুব মিষ্টি তাই এনে দিলাম। ওর নাম কি..?
-আফরা।
-ওর মতোই মিষ্টি নাম ওর।
-ধন্যবাদ, আচ্ছা আমরা তাহলে আসি।

তারপর ওরা চলে যাচ্ছে আমিও উল্টদিকে ফিরে চলে আসছি। কিন্তু মন যেন মানছেনা।
তক্ষুনি ফিরে ডাক দিলাম “এই যে শুনছেন”!
সেও ফিরে তাকাল। দুরত্ব থাকায় হাত দিয়ে ইশারা করে বললো,, কি..?
আমি দৌরে কাছে গিয়ে হাপাতে হাপাতে বললাম আপনার নামটা জানা হলো না। বলবেন..?
প্রথমে একটু হেসে দিল। তারপর বললো, নুসরাত জাহান মেঘলা। আপনার ?
-শুভ্র।
-বাহ, আচ্ছা যেতে হবে সন্ধ্যা নামছে। ভালো থাকবেন। পরে আবার দেখা হবে, বলে চলে যাচ্ছে..
আমি যাচ্ছি না, দাঁড়িয়ে তার দিকেই তাকিয়ে আছি। এমনিতেই সূর্য ঘরে ফিরছে তাই আবছা আলোয় যতক্ষণ না মিলিয়ে যাচ্ছিল তাকিয়েই রইলাম।
বাসায় এসে যেন মন বসছিলনা কিছুতে।
সন্ধ্যার নাস্তা সেরে টম এন্ড জেরির কার্টুন দেখাও ভুলে গেছি আজ। বারবার সেই কাশফুলের মতো অবয়বটি ফুটে উঠছে চোখের সামনে। মন যেন বলছে হ্যাঁ আমি তাকে ভালোবেসে ফেলেছি। সারাক্ষণ তার কথাই ভেবে চলেছি।

মা বললো, কিরে নাস্তা করবিনা ?
-না, খেতে ইচ্ছে করছেনা।
এই বলে নিজের রুমে এসে তার কথাই ভাবতে থাকলাম। তখনি ফোন এল মৃন্ময়ের।
-কিরে গিয়ে পৌছলি?
-হ্যাঁ একটু আগেই আসলাম।
-জানিস তুই যাওয়ার পর কি হয়েছে?
-কি?
তারপর মৃন্ময়কে সবটা খুলে বললাম।
ও বললো, মেয়েটা কোথায় থাকে তাত জানিস না। আর যদি ওখানে না আসে।
-আমার মন বলছে আসবে।
-আসলেও কি তুই কথা বলতে পারবি!
তুইতো ভিতুর ডিম, আর লজ্জার কারনে কথাও বলতে পারবি না।
-পারবো আজকে বলেছি না। ঠিক পারবো।
-হুম, রাতের খাবার খেয়েছিস?
-না রে।
-বেশি ভাবিস না ওকে নিয়ে আর। কাল গেলে দেখা যাবে।
-আচ্ছা, ভালো থাকিস।

মৃন্ময় আমাকে খুব ভালো বুঝে। ও জানে আমি মেঘেলাকে নিয়েই ভাবছিলাম। না বলতে বুঝে যায়। প্রকৃত বন্ধু বুঝি এমনি হয়। বন্ধুর সকল না বলা কথা বুঝে ফেলে সহজেই।

আমি ছাদে গিয়ে মাঠের দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমাদের বাসার ছাদ থেকে মাঠটা দেখা যায়। মাঠের একপাশে দিঘি তার পাড়েই ঘন কাশফুলে ভরা। অন্যপাশটা খুবই সুন্দর, অনেকটা পার্কের মতোই। অনেকেই বিকেলবেলা ঘুরতে আসে। আচ্ছা, মেঘলাও কি রোজ আসে?
হয়তো আসে। আজ রাতে ওর কথা ভেবে ভেবেই বুঝি কেটে যাবে। কখন সকাল হবে!

পরদিন বিকেলে একটু আগে আগেই মাঠে চলে গেলাম। এসে একটা বেঞ্চে বসে আছি। হাতে কাশফুল। মেঘলার প্রিয় ফুল যে এটা।
আগে কখনো কাশফুলের প্রতি খেয়ালই করেনি। গন্ধ নেই, উজ্জ্বল কোনো রঙও নেই, ভাবিনি এটাও কারও প্রিয় ফুল হতে পারে। তবে এখন এটা আমারও প্রিয় ফুল হয়ে গেছে। প্রিয় মানুষদের সব কিছুই আমাদের প্রিয় হয়।

কিন্তু মেঘলাকে কোথাও দেখছি না। আজকে আসবেনা মনে হয়।
তখনই দেখি মেঘলা আসছে। সাথে ছোট বোন আর বুড়ো করে একজন লোক। ওর দাদু হবে হয়তো। দূর থেকেই আমাকে কাশফুল হাতে দেখে একটু হাসছিলো। ওর দাদা সমবয়সী কিছু লোকের সাথে কথা বলতে চলে গেলো।

মেঘলা আমার দিকেই আসছে। আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে যাচ্ছে, যেন কথা হারিয়ে ফেলছি। সামনে এসে..মুচকি হেসে বললো, কেমন আছেন?
-আলহামদুলিল্লাহ ভালো। বসুন না।
“আমার পাশে আফরা আর তারপর মেঘলা বসলো।”
-তা আপনি কেমন আছেন..? আফরা কেমন আছো তুমি?
-হুম, আমরাও খুব ভালো আছি। হাতে কাশফুল দেখছি! আপনার প্রিয় ফুল নাকি?
-আগে ছিল না, এখন খুব প্রিয়।
আবারও সেই ঝর্ণার মতো হাসি। যেনো আমায় ভাসিয়ে দিচ্ছে।
-কারো জন্য এনেছেন নাকি..?
-একটু থতমত খেয়ে বললাম, হুম, আফরার জন্য।
-আচ্ছা, কিন্তু এটাত আফরার প্রিয় ফুল না।
এটা আমার প্রিয় ফুল ।
-হ্যা তাইত, আপনি নিন।
-ধন্যবাদ, আপনার নাম কি যেন?
-ভুলে গেলেন! শুভ্র।
-ও হে, মনে পরেছে।
-আমার কিন্তু আপনার নাম মনে আছে।
মেঘলা, নুসরাত জাহান মেঘলা। ঠিক বলেছি?
-জ্বি
-যতদিন ঐ আকাশে মেঘ থাকবে আর আমার স্মৃতিশক্তি থাকবে ততদিন মনে থাকবে আপনার নাম।
-আপনি খুব মজার কথা বলেন।

 

অনেকটা সময় গল্প করার পর বুঝলাম, মেঘলা খুব ভালো মনের একটা মেয়ে, তবে চঞ্চল। যা আমাকে আরও বেশি আকর্ষন করে। কথা বলতে বলতে মেঘলার ঠিকানা জেনে নিলাম। পরিবারের সবাইর ছবি দেখালো। ওর দাদু একসময় ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন আর লেখালেখি করতে ভালোবাসেন। তাই দাদুর সাথে ভাব জমাবার ইচ্ছে হলো। কেননা যে লেখালেখি করতে ভালোবাসে তার মাঝে অবস্যই ভালোবাসার মর্যাদা আছে। আর তবেইতো মেঘলার আরো কাছে যেতে পারবো।

অনেকক্ষণ গল্প করার পর মেঘলা বললো, আচ্ছা আমরা আজকে আসি,
-আপনার সাথে কথা বলে খুব ভালো লাগলো।
-আমারো। আচ্ছা একটু দাঁড়ান বলে দৌড়ে গিয়ে কাশফুল নিয়ে আসলাম, এগুলো আপনার জন্য।
-অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, বলে হাসলো।
মনে হলো মেঘলা বুঝেছে যে আমি তাকে পছন্দ করি। আফরা আর মেঘলা চলে যাচ্ছে আমি আগের মতোই দাড়িয়ে তাকিয়ে রইলাম, ভাবতে লাগলাম যদি মেঘলা ফিরে তাকায় ভাববো তারও আমায় পছন্দ। তক্ষুনি মেঘলা পিছন ফিরে তাকালো। আমি খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেলাম।

তারপর দাদুর সাথে কথা বলতে চলে গেলাম।কুশল বিনিময় করে দাদুর সাথে গল্প করতে শুরু করলাম। কথা বলতে বলতে বললাম,
-আমার দাদু বেঁচে নেই।
-এখন থেকে তুমি আমাকে দাদু বলে ডেকো।
বুঝলাম, মানুষটা খুব সহজেই যে কারো সাথে সহজেই মিশে যেতে পারে। আমাকে বললো,,
-তোমার সাথে কথা বলে খুব ভালো লাগলো। সন্ধ্যা নামলো চলো আজকে আমার বাড়িতে একসাথে চা খাবো। আমার বাড়ি কাছেই।

“অন্য কেউ হলে হয়তো না করে দিতাম, কিন্তু দাদরু সাথে গেলে দুটো কাজ হবে। মেঘলার সাথে দেখা হবে আর ওদের পরিবারের সবার সাথে পরিচয় হয়ে যাবে। তাই রাজি হয়ে গেলাম।

বাড়িতে ঢুকেই একজন মহিলা আসলো মেঘলার মা। সালাম দিলাম। দাদু বললো,
-ছেলটা খুব ভালো। তাই চা খাবাতে নিয়ে আসলাম, এখন থেকে ও আমার বন্ধু৷ আমাদের জন্য চা নিয়ে আসো।
” আমি বসে বসে ভাবছি মেঘলা কোথায়? কোথাও দেখছি না।”

তখনি সিড়ি বেয়ে নেমে আসছে মেঘলা সাথে আফরা। নামাজ পড়েছে মনে হচ্ছে । আফরা আমায় দেখেই বলে উঠল ঐ যে ঐ ভাইয়াটা। কাশফুল বলতেই, মেঘলা চুপ করিয়ে দিল। মেঘলা আর আফরা আমাদের সামনেই বসেছে। দাদু বলে উঠলো, সুবর্ণা চা হলো..?
আন্টি চা নিয়ে আসলো। আমি বললাম আন্টি আপনিও বসুন না। রান্নাঘর গুছিয়ে আসছি।
দাদু বললো মেঘলা চা খুব ভালোবাসে।
আমি খুব একটা চা খেতাম না। কিন্তু এখন চা আমার কতই না ভালো লেগে উঠল। মেঘলার জন্যই। ঐ যে বললাম প্রিয় মানুষের সব জিনিসই আমাদের প্রিয় হয়ে উঠে।

চা খাচ্ছি আর মাঝে মাঝে মেঘলার দিকে তাকাচ্ছি। মেঘলাও আড় চোখে তাকাচ্ছে আমার দিকে, আর মুচকি হাসছে। তারপর অনেকক্ষণ গল্প করে বললাম এবার আসি। দাদুর সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব হলো, মেঘলার মাও বললো আবার এসো। কিন্তু জোর দিয়ে না বললে কিভাবে আসি।

তখনি দাদু বললো, আসবে রোজ আসবে, আমার সাথে গল্প করতে আসবে। না হলে কিন্তু আমি রাগ করবো। বললাম, আচ্ছা আসবো। এই বলে মেঘলার হাসিমুখটা দেখে বেরিয়ে গেলাম। অনুভব করতে লাগলাম,আমার মাঝে যেন কেমন পরিবর্তন এসেছে।

তারপর থেকে মেঘলার ও দাদুর সাথে ভালো একটা সম্পর্ক হয়ে গেলো। রোজ বিকেলে মেঘলার সাথে হাটতে বের হই সাথে আফরা থাকে। দাদুও মাঝে মাঝে থাকে কিংবা তার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়৷ মেঘলার সাথে হাটতে হাটতে সেদিন বললাম, আচ্ছা মেঘলা তুমি কি কাউকে ভালোবাসো..?

উত্তরে মেঘলা বললো, না বাসি না। আগেও বাসিনি। খুব একটা বের হতাম না বাইরে। আব্বু বকা দিত। তাই..।আর তাছাড়া প্রাইভেট স্কুলে পড়তাম। হ্যাডস্যার আব্বুর বন্ধু। সব সময় চোখে চোখে রাখতো। তাই হয়তো।
-হুম, তাই হয়তো কোনো ছেলে সাহস পায় নি।
তা এখন তোমার আব্বু কিছু বলেনা..!আর
সেদিনও বাসায় গিয়ে দেখতে পেলাম না।
জিজ্ঞাসাও করা হয় নি।
-আব্বু আর ভাইয়া ঢাকা থাকে কাজের জন্য।
আব্বু পুলিশ ইনস্পেকটর আর ভাইয়া ফায়ার সার্ভিসে কাজ করে।
-তাইতো বলি কেনো কোনো ছেলে সাহস করে না।

হাসতে হাসতে আমার কথার সাথে সম্মতি দিয়ে বললো, আপনি কাউকে ভালোবাসেন নাকি…!
বললাম, হ্যা বাসিত।তবে তাকে বলিনি আজও।আর সে জানে কিনা তাও জানিনা।

এ কয়েকদিনে মেঘলা হয়তো বুঝেছে যে আমি তাকে ভালোবাসি। দাদুও বিষয়টা আঁচ করেছে বোদ হয়। আর মেঘলার কথাবার্তায় মনে হয় সেও আমাকে ভালোবাসে, বলতে গিয়ে যেন বলতে পারে না। মেয়েদের বুক ফাটে তবু মুখ ফাটে না। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম কাল মেঘলার প্রিয় কাশফুল দিয়ে তাকে আমার মনের কথা জানাবো।

বাসায় এসে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অনুশীলনীতে লেগে গেলাম। আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে পারবোত! কয়েকবার চেষ্টা করার পর বললাম, পারবো। আর হটাৎ আম্মু এসে বললো, কিরে আয়নার সাথে কি কথা বলছ? পাগল হলি নাকি..!
আমি কিছুনা বলে ঘুমিয়ে গেলাম।

পরদিন বিকেলে আমি কাশফুল নিয়ে যাচ্ছি, দেখি মেঘলা আগে থেকেই কাশফুল নিয়ে বসে আছে। আমি সামনে গিয়ে বললাম, মেঘলা আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই। মেঘলা বললো, আমিও তোমাকে কিছু বলতে চাই।
“সম্পর্কটা আপনি থেকে হটাৎ তুমি হয়ে গেলো কি করে নিজেও বুঝিনি। যাই হোক মেঘলাও যখন বলছে তাহলে অসুবিধা নেই”। মেঘলা বললো,

– আগে তুমি বলো।
-আরে লেডিস ফার্স্ট বলে কথা আছে না। তুমি বলো।
-তাতে কি। আজ ব্যাতিক্রম হোক। তুমি বলো।
-আচ্ছা তাহলে আমিই বলছি কেমন..
এই বলে জোরে জোরে নিশ্বাস নিতে লাগলাম।
মেঘলা হাসছে।
-কি করছো এটা..?
-সাহস নিচ্ছি।
-বলবে না..!
-মেঘলা আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমিও কি আমায় ভালোবাসো..?

“বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ যদি অনুমতি ছাড়া লেখা কপি করে ফেসবুক কিংবা অন্য কোন প্লাটফর্মে প্রকাশ করেন, এবং সেই লেখা নিজের বলে চালিয়ে দেন তাহলে সেই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবে
ছাইলিপি ম্যাগাজিন।”

সম্পর্কিত বিভাগ

পোস্টটি শেয়ার করুন

Facebook
WhatsApp
Telegram
বাঁশি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বাঁশি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শুনুন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা বাঁশি । কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন কলকাতার সু-পরিচিত সাহিত্যিক মহীতোষ গায়েন। শুনুন এবং জানান আপনার মতামত-    
মুক্তবিহঙ্গ- সালমান খান 

মুক্তবিহঙ্গ- সালমান খান 

 সালমান খান   মুক্ত আজ বন্দি নিবাস খোলা আকাশে মেলে দিলাম ডানা, দেখবো আজ বৃক্ষের সাথে বনের মিল মাতবো আজ বায়ুর সাথে মিশে থাকা ফুলের ...
ঈদ এসেছে ঈদ

ঈদ এসেছে ঈদ

আশিক মাহমুদ রিয়াদ পবিত্র রমজান শেষে এলো খুশির ঈদ, পাখিরা গায় আজ স্নিগ্ধতার গজল.. হৃদয়ে বাজে পবিত্রতার গীত.. আজ যে খুশির বাধন হারিয়ে, জড়িয়ে চাঁদর ...
সাহিত্য বিশারদঃ বাঙালির একতা

সাহিত্য বিশারদঃ বাঙালির একতা

হামীম রায়হান  বাংলা সাহিত্যের যে রেঁনাসার সৃষ্টি হয়েছিল তা সত্যিই কী সমগ্র বাংলা সাহিত্যের রেঁনাসা ছিল? এমন প্রশ্ন যদি উঠে তবে সে প্রশ্নের জবাব কিন্তু খুব ...
সূর্য দীঘল বাড়ি

সূর্য দীঘল বাড়ি

জোবায়ের রাজু আমিন সাহেবের মন খারাপ। চিরকাল সুস্থ সবল মানুষটার শরীরে আজ এই রোগ তো কাল ওই রোগ ধরা পড়ছে। হার্ট, প্রেসার, শ্বাসকষ্টের পর সর্বশেষ ...
এই গ্রাম - সেই গ্রাম

এই গ্রাম – সেই গ্রাম

আশিক মাহমুদ রিয়াদ   আমার শৈশবের খুব কম সময়ে কাঁটিয়েছি আমার গ্রামের বাড়িতে। গ্রামের নাম টেংরাখালী। এই গ্রামের নাম টেংরাখালী কেন- সে ব্যাপারে আমার জানাশোনা না ...